চলমান লকডাউন বাস্তবায়নে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা কঠোর অবস্থানে মাঠে থাকলে অধিক মুনাফালোভী কতিপয় ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের সাথে চোর পুলিশ খেলায় মেতে উঠেছে। প্রশাসন কিংবা আইনশৃক্সখলা বাহিনীর সদস্যরা আসলে দোকান পাট বন্ধ হয়ে গেলেও তারা চলে যাওয়ার পর পূণরায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছে।
বাংলাদেশের মধ্যে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বরিশালে শীর্ষে থাকলেও ওইসব অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা তা আমলে নিচ্ছেন না। নগরীসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দোকানের বাহিরে পাহাড়াদার রেখে ভিতরে বসে ব্যবসা বাণিজ্য চালাচ্ছেন কতিপয় ব্যবসায়ী।
প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকলেও নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্ধেক সার্টার খুলে দেদারসে বিকিনিকি করা হচ্ছে। মোবাইল কোট বা প্রশাসনের আনাগোনা দেখলে বাহিরে পাহাড়ায় থাকা ব্যক্তি সর্তক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায় দোকানের সার্টার।
জেলা প্রশাসক মোঃ জসীম উদ্দিন হায়দার বলেন, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে বিভাগীয় শহরসহ জেলার প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্ট্রেটদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকার চাচ্ছে সকলের জীবনের নিরাপত্তা দিতে, সেখানে নিজেরা নিজেদের এবং পরিবারের সদস্যদের জীবনে বিপদ ডেকে আনা বোকামী ছাড়া আর কিছু নয়।
#চলনবিলের আলো / আপন