মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৭ অপরাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবসে সলঙ্গাকে উপজেলা করনের দাবি বক্তাদের গোপালপুরে মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন মানিকগঞ্জে ‘অনলাইন এন্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সভাপতি সাইফুল্লাহ, সম্পাদক শাহীন স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সব রাজনৈতিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু নওগাঁ-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে মারধর ও নির্বাচনী ক্যাম্প ভাঙচুর চৌহালীতে একজন কর্মকর্তা দিয়ে চলছে উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার টাঙ্গাইলে বৃদ্ধ দম্পতিকে হত্যা, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি অপরাধ ও অন্যায় করা হয়েছে সাতক্ষীরায়- জামায়াত আমির

নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৫ মার্চ, ২০২১, ৮:২২ অপরাহ্ণ

আমজাদ হোসেন রতন, নাগরপুর(টাঙ্গাইল)ঃ
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গণহত্যা দিবস পালিত। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) সকালে নাগরপুর উপজেলার বনগ্রাম গণকবরে উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সহ গস্খামবাসীর পক্ষ থেকে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি দোয়া করা হয়। পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহান, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সরোয়ার ছানা, মো. বজলুর রশিদ বাবুল, বনগ্রাম শহীদ মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফজলুর রহমান ফজলু সহ গ্রামবাসী।

পরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত-ই-জাহানের সভাপতিত্বে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) তারিন মসরুর, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইচ চেয়ারম্যান ছামিনা বেগম শিপ্রা, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সুজায়েত হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নীরেদ্র কুমার পোদ্দার প্রমুখ। আলোচনা সভায় মুক্তিযোদ্ধা, ইউনিয়ন চেয়ারম্যান বৃন্দ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষকগণ সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য:- ১৯৭১ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের বনগ্রাম রসুলপুরে (২৫ অক্টোবর) বর্বরোচিত হামলা করে পাক হানাদার বাহিনী। হামলায় নিরীহ গ্রামবাসী সহ ৫৭ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নির্মম ভাবে হত্যা করা সহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হয় বসত বাড়ি। সেই সাথে পুড়িয়ে মারা হয় অসংখ্য অসহায় গবাদি পশু। এমন হত্যা যজ্ঞ শেষে পাক হানাদার বাহিনী চলে গেলে গস্খামবাসীর সহায়তায় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের দেয়া হয় গণ কবর। সেই থেকে প্রতি বছর এই দিনে (২৫ মার্চ) শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধা জানাতে মুক্তিযোদ্ধা, উপজেলা প্রশাসন ও নিহত মুক্তিযোদ্ধার পরিবার সহ গ্রামবাসীরা ছুটে যান এ গণ কবরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর