সম্প্রতি গ্রীষ্মের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কৃষকেরা ব্যাপকভাবে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ শুরু করেছেন।
এই আগাম শিম চাষে ফুল ঝরে পড়া এবং পোকার আক্রমণ একটি বড় সমস্যা, যা সমাধানে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা কৃষকদের সাথে সরাসরি কথা বলছেন এবং দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।
উপজেলা প্রায় ২৫ থেকে ৩০ বছর ধরে বাণিজ্যিক ভাবে শিমের আবাদ হচ্ছে। এ বছর ১৪৫০ হেক্টর জমিতে শিমের আবার হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩৩৫০ মে:টন।
উপজেলার চাঁদভা, মাছপাড়া, দেবোত্তর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নে উচু মাচা করে শিম চাষাবাদ করে থাকে এই এলাকার কৃষকেরা। যাতে সহজে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করে শিম গাছ নষ্ট হতে না পারে। এছাড়াও মাচা পদ্ধতিতে শিমের চাষ করা হয় যাতে রোগ বালাই পোকা মাকডের উপদ্রব্য কম হয়।
আটঘরিয়া উপজেলায় আগাম অটো, রুপবান, কেরালা, চকলেট, ঘৃত কাঞ্চন জাতের শিমের চাষ করে থাকেন। আগাম শিমের কারণে এই উপজেলায় শিম বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছে।
কৃষক প্রতি কেজি শিম বাজারে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা দরে।
সেজন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ফলন বৃদ্ধির জন্য শোষক জাব পোকা দমনের জন্য কৃষককে হলুদ আঠালো ফাঁক এবং বালাই নাশক ব্যবহারের জন্য উঠান বৈঠক করে থাকেন।
কৃষি বিভাগ হলুদ কাঁঠাল ফাঁদ ব্যবহার করলে জাব পোকা গাছের পাতার ফলের রস খেতে পারে না এবং ফলন বৃদ্ধি করে। এছাড়াও বৃষ্টিপাত বেশি হলে কৃষকদের নালা পদ্ধতিতে পানি সু-নিষ্কাশনের ব্যবহার করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এছাড়াও কীটনাশকের সঠিক ব্যবহার পদ্ধতি এবং কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে জৈব বালাই নাশোকের ব্যবহার বৃদ্ধি করে চাষাবাদের জন্য কৃষককে উঠান বৈঠকে হাতে কলমে পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তারা।
শিমের ফলন বৃদ্ধির জন্য জাব পোকা দমনের জন্য হলুদ আঁঠালো ফাঁদের ব্যবহারে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে।এছাড়াও রোগবালাই পোকামাকড় দমনে উঠান বৈঠক এর মাধ্যমে কৃষককে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে।