বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন

ই-পেপার

ঘর আছে চলাচলের রাস্তা নাই উপকারভোগীদের

মোঃ মামুনুর রশিদ, নবাবগঞ্জ(দিনাজপুর):
আপডেট সময়: শনিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৫, ২:০১ অপরাহ্ণ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্পের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। চলাচলের রাস্তা না থাকায় বসবাস করছেন না বেশিরভাগ উপকারভোগীরা। এই ভোগান্তি থেকে রক্ষা পেতে কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করছেন উপকারভোগীরা। উপজেলার ৬নং ভাদুরিয়া ইউনিয়নের তেঘড়া গ্রামের পাশে এ আশ্রয়ণ প্রকল্পটি অবস্থিত।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের (প্রথম পর্যায়) উপজেলার ৬নং ভাদুরিয়া ইউনিয়নের তেঘড়া গ্রামের পাশে ২৪টি পরিবারকে দুইকক্ষবিশিষ্ট পাকা ঘর, একটি বাথরুম, একটি রান্নাঘর পায়  উপকারভোগীরা। চলাচলের রাস্তা না থাকায় বিপাকে পড়েছে আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘরে বাস করা বাসিন্দারা।
আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগী শফিকুল ইসলাম বলেন, গুচ্ছগ্রাম থেকে মূল সড়কে যাতায়াতের কোনো রাস্তা না থাকায় উপকার ভোগীরা এখানে থাকতেছেনা ২৪ জন উপকার ভোগীর মধ্যে বর্তমানে ৫/৬ টি পরিবার বসবাস করতেছি। রাস্তা না থাাকয় আমাদের ফসলি জমির ওপর দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। প্রায়ই সেসব জমির মালিকরা আমাদের চলাচলে বাধা দেন ও গালমন্দ করেন। আবার বর্ষায় জমির আইল পানিতে ডুবে যায়, তাতে চলাচল করতে খুবই কষ্ট হয়। এর আগে একবার টিএনও স্যার কে বলেছি তারপরেও রাস্তার দুঃখ শেষ হলোনা।
উপকারভোগী হাসিনা বেগম বলেন,আমাদের থাকার কোন জায়গা ছিলোনা সেসময় ইউএনও নাজমুন্নাহার স্যার আমাদের ঘর দিয়েছেন,ঘর পাইছি কিন্তু রাস্তা না থাকায় খুব অসুবিধায় আছি মানুষের জমির আল দিয়ে চলাফেরা করতে হয় পানির সময় আল দিয়ে চলা যায়না ৪বছর থেকে কস্টে আছি মেম্বার-চেয়ারম্যানদের বলেও আমাদের রাস্তার ব্যবস্থা হয়নাই। আমরা দাবি জানাই তাড়াতাড়ি যেন রাস্তার ব্যবস্থা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশরাফুল হক বলেন,আশ্রয়ন প্রকল্পে রাস্তা নেই এটা আমি প্রথম শুনলাম,রাস্তার জন্য উপকারভোগীরা ঘরে থাকতেছেনা এটাও প্রথম শুনলাম।যাইহোক রাস্তা বিষয়ে যদি লিখিতভাবে আবেদন করে তারা, অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর