নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কুজাইল হিন্দুপাড়া গ্রামের ডাবলু প্রামানিকের স্ত্রী পূর্ণিমা (৩২) নানা রোগে আক্রান্ত! দুই সন্তানের জননী এই গৃহবধু বাঁচতে চায়। তিনি কিডনি, ফুঁসফুঁস ও লিভার সংক্রান্ত রোগে ভুগছেন। তার চিকিৎসা ব্যয় চালাতে পারছেন না পরিবার। বর্তমানে অন্যের সহযোগিতায় ডাক্তারের লিখে দেয়া ঔষুধ কিনে খাওয়ানো হচ্ছে পূর্ণিমাকে।
দশ বছরের এক ছেলে ও ৬ বছরের মেয়ে এবং স্বামীকে নিয়ে কোনমতে চলছিল সংসার। এরমধ্যে শরীরে বাসা বেঁধেছে নানা ধরণের রোগ! সুস্থ হওয়ার আশায় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছে। হত-দরিদ্র পরিবার হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার ব্যয় বহন করা অসম্ভব। তাই অসুস্থ্য পূর্ণিমা ও তার পরিবার আর্থিক সহযোগিতার জন্য সমাজের বিত্তবান ও সরকারি পর্যায়ের নিকট আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
পূর্ণিমার দেবর পলাশ প্রামানিক বলেন, বৌদিকে নিয়ে গত ৪ মাস থেকে বিভিন্ন হাসপাতালের একাধিক ডাক্তার দেখানো হয়েছে। নিজেদের আয় ও ধারদেনা করে এতোদিন কোনোরকমে চিকিৎসা করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসার ব্যয়ভার আর বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালাবো না তার উন্নত চিকিৎসা করাবো? ডাক্তার জানিয়েছেন, উন্নত চিকিৎসায় হয়তো তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন।
পূর্ণিমার দুই সন্তান প্রীতম ও প্রিয়সী বলেন, মা সারা রাত যন্ত্রণায় কান্নাকাটি করে। আমাদের খুব কষ্ট হয়। আমাদের মা তারাতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে সেই আশায় রয়েছি।
বগুড়া জেলা থেকে পূর্ণিমার বাবা শ্রীমন্ত ও মা মায়া রাণী এসেছেন মেয়েকে দেখতে। তারা কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন, আমাদের মেয়েটার এই পরিস্থিতি দেখে খুব কষ্ট লাগছে। আমরা বাবা-মা হয়ে মেনে নিতে পারছি না। তার সুস্থ্যতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করছি।
মর্মাহত স্বামী ডাবলু প্রামানিকের মুখে নেই কোনো কথা। চোখের ভাষায় বুঝাতে চাইছে তার স্ত্রী দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুক।
কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মকলেছুর রহমান বাবু বলেন, আমার কাছে আবেদন করলে সরকার পর্যায়ের সহযোগিতা পেতে চেষ্টা করবো।
এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম কচি বলেন, আমাদের দপ্তরে অবেদন করলে তার চিকিৎসার জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেতে চেষ্টা করবো।
আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করতে (01719-613224 বিকাশ এ্যাকাউন্ট) আপনার পাঠানো সহযোগিতায় একজন মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্ন ফিরে পেতে পারে।