হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী জামালপুর জেলাতে অবৈধভাবে পরিচালিত হচ্ছে ইটের ভাটা এ সকল ইটের ভাটা ভেঙ্গে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।১ মার্চ শনিবার জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে পবিত্র রমজান উপলক্ষে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্বাভাবিক রাখা সংক্রান্ত অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্য আলোচনার মধ্যে ইটভাটা সংক্রান্ত এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক হাছিনা বেগম।জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুকুমার রায় সাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী জানা যায়, আগামী তিন দিনের মধ্যে অবৈধ ইটের ভাটা বন্ধ করে মালামাল স্থানান্তর করা না হলে ১০ মার্চের মধ্যে সকল ভাটা ধ্বংস করা হবে। জানা গেছে, জামালপুর জেলায় মোট ১২৩টি ইটের ভাটার মধ্যে মাত্র ১২টির নিবন্ধন করা আছে।
নিবন্ধনবিহীন এসব ইটের ভাটা নিষিদ্ধ থাকার পরও অবাধে কাঠ পোড়ায়। আবাসিক এলাকায় ও ফসলের মাঠে ইটের ভাটা নির্মাণ করাসহ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে আসছেন।
জামালপুরে ১১১টি ইট ভাটার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০), পরিবেশ বিধিমালা ১৯৯৭ এবং ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) অনুসারে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
বক্তব্য রাখেন জামালপুর পুলিশ সুপার মো. রফিকুল আলম পিপিএম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইফতেখার ইউনুছ, জামালপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুকুমার রায়, ও পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম প্রমুখ।
এর আগে রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, ভেজালমুক্ত পণ্য বিক্রি, মজুদদারি থেকে বিরত থাকা, কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, ওজন ঠিক রাখা-সহ রমজানের রোজার পবিত্রতা রক্ষায় সকলকে সচেতনভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়। একই সভায় প্রচারপত্র ও গণবিজ্ঞপ্তি পাঠ করে শোনানো হয়।