নওগাঁর রাণীনগরের সাব্বির হোসেন, ছোট বেলা থেকেই হার্টের (হৃদরোগ) সমস্যা নিয়ে বড় হয়েছে। এখন তার বয়স ২২ বছর। যত দিন যাচ্ছে, ততই বেড়ে চলেছে তার হার্টের সমস্যা। সাব্বির উপজেলা সদরের মধ্য রাজাপুর গ্রামের কাঠ মিস্ত্রী হাফিজুর রহমান বাবুর ছেলে। ছোট বেলা থেকেই চলছে তার চিকিৎসা, অবশিষ্ঠ সহায়-সম্বলও বিক্রি করে সন্তানের চিকিৎসার জন্য। বাধ্য হয়ে সন্তানকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবানদের ও সরকারের নিকট আর্থিক সহায়তা চেয়ে আকুতি জানিয়েছে তার অসহায় পরিবার!
বর্তমানে পরিবারের অভাব-অনাটনের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে সাব্বিরের চিকিৎসা। সাব্বিরের উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন করে উপজেলা সদর বাজার সহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যানার টাঙানো হয়েছে।
সাব্বিরের বাবা কাঠ-মিস্ত্রি হাফিজুর রহমান বাবু জানান, জন্মের ২ মাস পর সাব্বিরের হার্টের (হৃদরোগ) সমস্যা ধরা পড়ে। ছোট বেলা থেকেই দেশের বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে ও ভারতের এক চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা করিয়েছি। এ পর্যন্ত প্রায় ২৩ লক্ষাধিক টাকা চিকিৎসার পিছনে খরচ হয়ে গেছে। কিন্ত সাব্বির এখনো সুস্থ হয়ে উঠেনি। বড় হয়ে যাওয়ার পর তার হার্টের সমস্যা আরও বেশি হয়েছে। কয়েক মাস আগে সাব্বিরকে নিয়ে ভারতের একজন চিকিৎসাকের কাছে গিয়েছিলাম। চিকিৎসক বলেছেন- দ্রুত সাব্বিরের হার্টের অপারেশন করাতে হবে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। আবার সাব্বিরের একটি ভালভের সমস্যা ধরা পড়েছে। এজন্য আরো টাকা লাগবে। এমতাবস্থায় আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছি।
সহায় সম্বল সব কিছু বিক্রি করে এতদিন ছেলের চিকিৎসা করিয়েছি। বর্তমানে চিকিৎসা করানোর মত কোন অর্থই আমাদের কাছে নেই। আমাদের অভাবের সংসারে সাব্বিরের চিকিৎসা করাতে অর্থ জোগান দিতে পারছি না। তাই সমাজের বিত্তবান ও সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য পেলে চিকিৎসা করিয়ে ছেলেকে হয়তো বাঁচাতে পারতাম।
রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাকিবুল হাসান বলেন, সাব্বিরের বিষয়টি আমরা খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি। উপজেলা প্রশাসন অথবা সমাজসেবার পক্ষ থেকে সাব্বিরকে সহযোগীতা করার চেষ্টা করবো।
সাহায্য পাঠানোর জন্য সাব্বিরের বাবার বিকাশ নম্বর (০১৭২৬-৪৮০৬৮৭) ও সোনালী ব্যাংক রাণীনগর শাখার সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর (৪৮১৮১০১০১৯৫৭৮)।