শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
কসমিক সুখ লাভে তুমি রক্ত ঝড়াও রাতভর ঝমঝম বৃষ্টির স্বপ্ন দেখ দিনভর বিরতিহীন পথচলা। আদরে মসাদরে জমাও সম্বল আশ্রয় করে নেও নিজের দম্ভ তারপর…… ভুলে যাও….. ভাবো! সবই মিছা মায়া! আরোও পড়ুন...
নীড়হারা তীরবেধা পাখি গভীর রাতে করে রোদন কেউ জানেনা কষ্ট তাহার কে করেছে তারে বোধন। সুরহারা কোন বাশুরিয়া তালহারা তার সুরের মায়ায় দূর আকাশের তারার সাথে পথ হারিয়ে আধার ছায়ায়।
আমি যখন ভাঙন দেখে হতবাক নিশ্চুপ বিলীন হয়েছে জীবনের সব রংরুপ, তুমি তখন কবিতায় দিয়েছ ডুব। আমি যখন হারিয়েছি চেনা ছন্দ গ্রাস করেছে বেড়াজাল আর দ্বন্দ্ব তুমি তখন ফুরিয়েছ জীবনানন্দ।
ছোট্ট শব্দ বধু ভাংগা গড়ার মুল কেউ বা গড়ে স্বস্তির নীড় কেউ বা ফোটায় হুল । আসে বধু স্বামীর ঘরে ছেড়ে পিতার কুল স্বামীর জীবন ধন্য করে ফোটায় শান্তির ফুল।
কালু মিয়ার আছে ভিটা মাটি থালা বাসুন ঘটি, বউ মরিছে চুল পাঁকা-করে চিন্তা হাতে বটি। কালু একবেলা রাঁধে তিন বেলা পেট ভড়ে খায়, কুঁড়ে ঘর আঁকড়ে ধরে তার পোশা বিলি
যা ভাবি তার উল্টো হয় কেমন করে করব জয়। হচ্ছে শুধু জীবনের ক্ষয় এখন যে হয় বড্ড ভয়। সমাজ আজ উল্টো দিকে মানুষ মরছে ধুকে ধুকে। মুখে তবুও শুকনো হাসি
শেষ্ট বাঙ্গালি তো আমরা দেখার নেই কোন শেষ, আমাদের চারপাশে চলছে কত রং এর রং বেশ। জাতি আজ উচ্চ কন্ঠে বলে অনেক উচ্চ আমাদের দেশ, আধুনিক বিদ্যা গ্রহন করে নষ্ট
ক্ষুধার তাড়না তব কহিনু কাহারে, লজ্জায় ঘৃণায় তব কি জ্বালা আহারে। হারিয়েছি ক্ষুধা মম তমিস্রা কাতরে, সভ্য সমাজে নিদ্রায় পড়েছি হাশরে। মম ক্ষুধার ভোগে সুধা ভাসে যেন রুটি, সব নিমিষে