মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সলঙ্গার হলি চাইল্ড স্কুলের ঈর্ষণীয় সাফল্য গোপালপুরে এসএসসি ও সমমানে ৩০ শতাংশের নিচে পাস সাত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩০০ কোটির অর্থনীতির ভারুয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশনে দেখতে চায় এলাকাবাসী: এমপির সুপারিশে মন্ত্রীর দপ্তরে স্মারকলিপি গোপালপুরে হেমনগরে মাদক, জঙ্গিবাদ ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে কমিউনিটি পুলিশিং সভা সৌদি আরবে আগুনে মৃত্যু; পরিচয় মিলেছে নওগাঁর ১৩ জনের গুণগত শিক্ষায় এগিয়ে রুহিয়ার ব্রাইট স্টার, এসএসসিতে চমক সদ্য ঘোষিত এসএসসির ফলাফলে সলঙ্গা ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐর্শনীয় সাফল্য  আটোয়ারীর খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী সন্তুষ্ট, প্রশংসিত হয়েছেন ইউএনও

ভাঙ্গুড়ার অষ্টমনিষায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে অনিয়মের যেন শেষ নেই

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: বুধবার, ৬ মে, ২০২০, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন

চলনবিলের আলো বার্তাকক্ষ:

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গ্রামীণ সড়ক উন্নয়নে হেরিং বোম (এইচবিবি) প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম না মেনে নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার কাজ চলছে। বেডে বালু না দিয়ে কাচা মাটির উপর ইটের নিচের স্তরে দুই থেকে আড়াই ইঞ্চি ফাঁকা রেখে ইট বিছানো হচ্ছে। জানা যায়, চলতি অর্থ বছরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস, উপজেলার অষ্টমনিষা ইউনিয়নের অষ্টমনিষা গ্রামের ৮০০ মিটার কাঁচা রাস্তা হেরিংবোম (এইচবিবি) করতে দরপত্র আহ্বান করে। এতে ব্যয় ধরা হয় ৪৮ লাখ টাকা। কাজটি পায় পার্শ্ববর্তী চাটমোহর উপজেলার ঠিকাদার সিরাজ আলী। ফেব্রয়ারির শেষের দিকে ঠিকাদার কাজটি শুরু করে। উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নজর না থাকায় কাজের শুরু থেকে নিম্নমানের ইটসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মধ্যদিয়ে কাজের শেষ পর্যায়ে তবুও নজর নেই সংশিলিষ্ট কর্মকর্তার ।এলাকাবাসির ধারণা টিকাদার অফিস ম্যানেজ করে দুর্নীতি করছে ।

মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, গ্রামীণ মাটির রাস্তা টেকসই করণের লক্ষে হেরিংবোম (এইচবিবি) কাজ চলছে। এরইমধ্যে প্রায় কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইটের নিচে বালি না দিয়ে কাচা মাটির উপর কাজ করছে, দুই স্তর বিশিষ্ট ইটের নিচের স্তরে দুই থেকে আয়াই ইঞ্চি ফাঁক রেখে ইট বিছানো হচ্ছে। এইচবিবি সড়ক নির্মাণের নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ হাফ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে ইট বিছানোর নিয়ম রয়েছে। এঅবস্থায় যানবাহন চলাচলের সময় সড়কের উপরের স্তরের ইট নড়াচড়া ও মাঝে মাঝে বসে গিয়েছে। এমনকি রাস্তার প্রস্থ ১০ ফুট থাকার কথা থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পাওয়া গেছে সাড়ে ৯ ফুট।

কাজের অনিয়মের বিষয়ে ঠিকাদার সিরাজ আলী বলেন, ইটের মান , ইটের নিচের স্তরে ২ ইঞ্চি ফাঁকা রেখে ইট বসানোর ও বেডে বালুর দেওয়ার সকল বিষয় অফিসের সাথে কথা বলে কাজ করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম বলেন, করোনা নিয়ে ব্যাস্ত থাকায় প্রকল্পের কাজ দেখার সময় নেই ।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর