শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০১ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
সা‌হিত্য সাধনায় আমার পা‌থেয় যে খুবই অল্প পা‌রি না তৈ‌রি কর‌তে নান্দ‌নিক ছা‌ন্দ‌নিক গল্প। আমার লেখ‌নির প‌রি‌ধিও ‌যে স্বল্প অ‌নেক চেষ্টা তদ‌বির তবু বুনন হয়না কল্প। হে প্রকৃ‌তি তু‌মিই বল; আরোও পড়ুন...
আমার দেশের নাম বাংলাদেশ, যার প্রকৃতির নাইকো শেষ। সোনালি ফসল ফলে দেখ আমার বাংলাদেশে, কৃষক কন্যা নারিকেল তেল মাখে কাল কেশে। উঠান ভরা মুরগি কৃষকের গোলা ভরা ধান, পুকুর ভরা
আমার ক্ষুদ্র পায়ে এই সুবিশাল বসুমতির উপর চলতে চলতে একে দিয়েছি পদ চিন্হের আল্পনা যে পদ রেখা ধরা বক্ষে জেগে রবে হয়-তো কিছু কাল পদ রেখা ভেদে বেড়ে উঠবে লতা-গুলো
“মহামারী কোভিট-১৯ করোনা’র সাথে যোগ হয়েছে বন্যা, এদেশের লক্ষ কোটি মানুষের দুঃখ-কষ্টের নেই কোন ঠিকানা। ফসলী জমি ডুবে গেছে ঘরের মধ্যেও পানি, গাড়ির রাস্তায় নৌকা চলছে আকার ধারণ করছে মহামারী।
ভালবাসা এক স্বর্গীয় অনুভব যে করিতে জানে, ভালবাসার তরে হয়েছে শহীদান কতজন ধরাধামে। উম্মতেরে বাসিয়া ভালো কেঁদেছেন নুর নবী নবীর প্রেমে এখনো মুসলমান আঁকে ধ্যানের ছবি । সৃষ্টির জন্য শ্রষ্ঠার
আমায় একটা কষ্ট ঘুড়ি দিবে, কষ্টে কষ্টে খেলবো কাটাকাটি। কষ্ট গুলো টুকরো টুকরো হয়ে বিলীন হবে আকাশের ওই বিশালতায়। আমায় একটা আশ্চর্য প্রদীপ দিবে, এক ঘসায় আনবো দৈত্য বলবো তারে,যতো
আমি সূর্য ওঠা ভোর, আমি নিস্তব্ধ প্রান্তর। আমি শিশুর মুখের হাসি, আমি কবিতা ভালোবাসি। আমি জানালা খোলা বাতাস, আমি রাতের দীর্ঘশ্বাস। আমি স্বপ্ন ভরা চোখ, আমি চাহনী অপলক। আমি মঙ্গল,
নিভবে যখন হৃদয় প্রদীপ আসবে আঁধার ঘিরে, বুঝবে তুমি নেই দেহে আর গেছো বাঁধন ছিড়ে। আত্মা তোমার ঘুরতে থাকবে বাড়ির চারপাশ দিয়ে, কাঁদবে অনেক আপন জনে অন্যেরা দেখবে চেয়ে ।