শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
বিষটাকার তেলে হয়ে যায় পার কয়েক রাতি, আমার ঘরে আলো দেয় হারিকেন অথবা বাতি। হারিকেনের কাচ মুছে-ঘরে জ্বেলে দিতেন মা, আমি লুকিয়ে চিঠি লিখছি খুশি হয় প্রিয়তমা। হারিকেনের আলোয় আমার আরোও পড়ুন...
মৃত্যুর মুখোমুখি দাড়িয়ে তবু ও বেঁচে আছি যেমন বেঁচে থাকে সাহসী মানুষেরা- আমার মত করে তুমি ও যাবে লড়ে মৃত্যুকে করে আলিঙ্গন জাগবে জাগালেরা- লুন্ঠিত মানবতা কাঁদে সভ্যতার বিপর্যয়ে কত
উড়োজাহাজ আকাশে ফড়িং উড়ে বাতাসে তাই দেখে শিশুরা চেয়ে থাকে খুশির বেশে। মটু-পাতলু টিভিতে নাচে, তাই দেখে শিশুরা হি: হি: করে হাসে। ঘুড়ির লাঠাম বেধেছি জানালের গ্রীলে, মটু-পাতলুর কার্টুন দেখি
বর্ষার বা‌রিধারা সারাদিন ঝর‌ছে, মু‌টে আর মজু‌রেরা না খে‌য়ে মর‌ছে। বা‌রি ধারা থে‌কে থে‌কে দমকা হাওয়া ছাড়‌ছে, কাঁচা ঘ‌রের ভয়টা সবার মাথায় বা‌ড়ি মার‌ছে। ঘ‌ন‌ঘোর ব‌রিষায় বা‌হি‌রে কেউ নাহি যা‌চ্ছে,
“আমার আমার করলাম যত কিছুই নহে আমার, দুনিয়াটা মিথ্যা মরীচিকা সাধ্য নাই কারো থাকার। অযথাই সময় নষ্ট মাথা নষ্ট আমার, আস্তে আস্তে ফুরালো সময় গোলামী করলাম টাকার। নামাজ, রোজা, হজ্ব
তোমার আলো ঝলমল বন্দরে আমার জাহাজের নোঙর করতেই দিলেনা। তোমার রংধনুর রঙ মেশানো সোডিয়াম আলোর ঝলকানি ম্লান হবে বলে। দীঘল রাতির দূরন্ত সফর শেষে আমি আবার ভাসি নিরুদ্দেশে কত জলাঙ্গীর
তুমি দু’হাত বাড়িয়ে প্রেমাশক্ত নয়নে জীবনের প্রথম বৃষ্টিভেজা বিকেল ফিরে চাবে কিন্তু তোমার চাওয়া ব্যর্থ হবে। চালতা পাতায় আলতা মাখা রঙিন স্বপ্নরা নির্ঝরে ভেসে গেছে সময়ের চলমান ঢেউয়ে ঢেউয়ে। তুমি
নদী, নিশিকাব্যের পঙতিতে তোমায় আমি ধরেছি, বড় আপন করে নিয়েছি, দেবনা আর কোথায়ও যেতে । কতদিন দেখা হয়না, জানালায় চোখ রেখে লুকোচুরি খেলা তারাদের । নদী, তুমি এলে এবার সব