রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
চৌহালীতে চুড়ান্ত ফাইনাল ফুটবল খেলা দেখতে জনতার ঢল নাগরপুরে রবিউল আওয়াল লাভলুকে সমর্থন দিলেন কনক খান বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় চৌহালীতে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাতে কয়লা চুরি, দিনে ছাই–বালু মিশিয়ে বিক্রি, অভয়নগরে সক্রিয় নজরুল খান চক্র বান্দরবান জেলার এসপি গজালিয়া পুলিশ ফাঁড়ি পরিদর্শন জাতীয় দৈনিক সংগ্রামের ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নাগরপুরে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ বিষয়ে ভিডব্লিউবি’র উপকারভোগীদের নিয়ে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত পাকুন্দিয়ায় চরফরাদী ইউনিয়নে বিডব্লিউবি উপকারভোগীদের মাঝে চাল বিতরণ

পলাশবাড়ীতে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ ধ্বসে প্লাবিত হওয়ার আশংকা

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০, ৫:২৬ অপরাহ্ণ

আশরাফুজ্জামান সরকার, গাইবান্ধাঃ-

গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার করতোয়া ও আখিরা নদীর উপর নির্মিত বাধের কয়েকটি স্থানে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ফলে আতংকিত হয়ে পড়েছে বাধ সংলগ্ন এলাকার হাজার হাজার মানুষ। ১৫ জুলাই(বুধবার) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের জাইতরবালা, পশ্চিম নয়ানপুর,দিঘলকান্দি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের কিসমত চেরেঙ্গা এলাকার বেশ কয়েকটি স্থানে ধ্বস দেখা দিয়েছে। যে কোন সময় বাধ ভেঙ্গে বন্যায় প্লাবিত হতে পারে কিশোরগাড়ী হোসেনপুর ইউনিয়নের অর্ধশত গ্রাম। নষ্ট হয়ে যেতে পারে শত-শত একর ফসলাদি জমি ও মাছের ঘের। এলাকাবাসী জানান,বিগত সময়ে কোটি টাকা ব্যয়ে এই বাধটি নির্মান হলেও বাধের উপর দিয়ে কাকড়া (ট্রাক্টর) যাতায়াত, নদী খনন কাজে গাফিলতি, নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলনের ফলে বাধটির বিভিন্ন জায়গায় ধ্বস দেখা দিয়েছে।

 

সম্প্রতি অতি বৃষ্টি পানির তীব্র স্রোতে করতোয়া ও আখিরা নদীর উপর নির্মিত বাধের কয়েকটি স্থানে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় জনমনে আতংক সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান,বাধ ধ্বসের বিষয়টি পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে, তারা দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আপাতত আমরা বালুর বস্তা দিয়ে ধ্বস মোকাবেলার চেষ্টা চালানোর উদ্যোগ নিয়েছি। উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ জানান, বাধ ধ্বসের বিষয়ে খবর পেয়ে আমি পরিদর্শন করেছি এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানিয়েছি। এলাকাবাসীর মতামত, দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে বাধের গুরুত্বপুর্ন স্থানগুলো সংস্কার করা না হলে যে কোন মুহুর্তে বাধ ধ্বসে দুই ইউনিয়নের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হতে পারে। তাই দ্রুত বাধটি সংস্কার করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর