নৌযান শুমারি সফল করি, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি, এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ সকাল ৯ টা হতে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত তিন দিন ব্যাপী শুরু হয়েছে নৌযান শুমারি ২০২৬ প্রশিক্ষণ। সারা বাংলাদেশে একযোগে শুরু হচ্ছে নৌযান শুমারি ২০২৬। নৌযান শুমারিতে অংশ নেওয়া তথ্য সংগ্রহ কারীদের অংশগহনে আজ ১৫ আগষ্ট হতে শুরু হয়ে শেষ হবে সোমবার ১৭ আগষ্ট ২০২৬। এরপর শুরু হবে মূল শুমারি। সিরাজগঞ্জ জেলার ৪ টি কেন্দ্র নিয়ে, জেলা পরিসংখ্যান অফিসে এবং সদর উপজেলা, উল্লাপাড়া এবং শাহজাদপুর পরিষদ হল রুমে মোট ২১ জন যোনাল ম্যানেজার এবং ১৫০ জন তথ্য সংগ্রহকারীর সমন্বয়ে সিরাজগঞ্জ জেলা পরিসংখ্যান অফিসে এই প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে । প্রশিক্ষণ শেষে আগামী ২০ আগস্ট হতে শুরু হয়ে আগামী ২৯ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত নৌযান শুমারি গণনার কার্যক্রম শেষ হবে। বাংলাদেশের সমুদ্রগামী, উপকূলীয় এবং অভ্যন্তরীণ জলসীমায় চলাচলকারী ইঞ্জিন চালিত সকল নৌযান এবং ডামবার্জ ও অন্যান্য যেকোন নৌযান, যা ইঞ্জিন চালিত নয়, তবে অন্য কোন ইঞ্জিন চালিত নৌযান দ্বারা টেনে বা এরূপ সকল নৌযান সমূহের ডাটাবেজ প্রণয়নের লক্ষ্যে নৌযান শুমারি পরিচালিত করা হচ্ছে। নৌ পরিবহন খাতের উন্নয়ন ও পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজনীয় পরিসংখ্যানিক তথ্য নিশ্চিত করা এই নৌশুমারির উদ্দেশ্য। নৌযান শুমারির গুরুত্ব হচ্ছে, সরকারি / বেসরকারি কোন দপ্তর বা প্রতিষ্ঠানের নিকট অভ্যন্তরীণ নৌজানের কোন নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকা। নৌযানের নিরাপত্তা, দুর্ঘটনার হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ। নৌ পরিবহন খাতে নিয়োজিত মালিক ও শ্রমিকদের নির্ভুল ডাটাবেজ ব্যবহারের মাধ্যমে নৌ দুর্ঘটনা পরবর্তী প্রকৃত এর দ্রুত সনাক্তকরণ এবং স্বচ্ছতার সাথে আর্থিক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিতকরণ। নাবিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির নিমিত্ত প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান। এবং নৌ পরিবহন ব্যবস্থার নীতি নির্ধারণ ও পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য একটি সমন্বিত ডাটাবেজ তৈরি করা। প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন, সিরাজগঞ্জ জেলা পরিসংখ্যান উপ- পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মাহমুদা খাতুন।