শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চৌহালীতে সোনালী আশ কাটা শুরু: বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি  প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিলো রাণীনগরের কৃতি শিক্ষার্থী রাফি বহুমুখি প্রতিভার অধিকারি দেশ বরেণ্য শিল্পপতি অঞ্জন চৌধুরী পিন্টুর আজ ১৭ জুলাই ৭৩তম জন্মদিন- এবিএম ফজলুর রহমান দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যায় মানবিক সেবায় বাংলাদেশ স্কাউটসের স্বেচ্ছাসেবীরা আটঘরিয়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে গ্রীষ্মকালিন সবজি বীজ, সার বিতরণ সাঁথিয়া প্রেস ক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি হাই, সাধারণ সম্পাদক ফারুক রুহিয়ায় ১৬০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সিরাজগঞ্জে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে শিক্ষার্থীরা

বহুমুখি প্রতিভার অধিকারি দেশ বরেণ্য শিল্পপতি অঞ্জন চৌধুরী পিন্টুর আজ ১৭ জুলাই ৭৩তম জন্মদিন- এবিএম ফজলুর রহমান

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন

সততা, নিষ্ঠা, শ্রম, মেধা ও শৃংখলা একজন মানুষকে কত উপরে নিয়ে যেতে পারেন তার উজ্জ্বলতম দৃষ্টান্ত স্কয়ার গ্রুপের অন্যতম পরিচালক অঞ্জন চৌধুরি পিন্টু। এ দেশের শিল্প ও ব্যবসা প্রসারের ক্ষেত্রে তার বাবা স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা থেকে প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরী ও তার অবদান প্রশংসনীয়। আজ তার ৭৩তম জন্মবার্ষিকী।

দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী স্কয়ার গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত স্যামসন এইচ চৌধুরীর সর্বকনিষ্ঠ সন্তান তিনি। তবে অঞ্জন চৌধুরীকে কেবল সফল শিল্পোদ্যক্তা বাবার পরিচয়েই পরিচিত করার সুযোগ নেই। বাবার দেখানো পথে ব্যবসায়ী হিসেবে সাফল্যের শিখর ছুঁয়েছেন ঠিক। তবে নিজের জগৎটা কেবল ব্যবসার বৃত্তে বন্দি করে রাখেননি। আলোকিত সমাজ গড়তে নিজেকে সঁপে দিয়েছেন নানা ক্ষেত্রে। কখনো তিনি ক্রীড়াঙ্গনের পরম শ্রদ্ধেয় পিন্টু ভাই, আবার কখনো সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অগ্রসৈনিক। সুস্থধারার বিনোদন চর্চায় সম্পৃক্ত হয়ে কেবল সফলতাই পাননি, তার হাত ধরে দেশের বিনোদন পিপাসু মানুষ পেয়েছে অসংখ্য সুস্থধারার চলচ্চিত্র, আর্ট ফিল্ম, শর্ট ফিল্ম, একক নাটক, ধারাবাহিক নাটকের স্বাদ। ক্রীড়া, সংস্কৃতি, বিনোদন জগতে ব্যাপক গ্রহণযোগ্য এই মানুষটি শিক্ষাক্ষেত্রেও রেখে চলেছেন উল্লেখযোগ্য অবদান। বড় শিল্পগোষ্ঠী পরিচালনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার সুবাদে রয়েছে সহজাত নেতৃত্ব গুণাবলি। তাই তো তাকে দেখা যায় নানা পেশাদার, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে। তবে বহুমাত্রিক গুণাবলির অধিকারী অঞ্জন চৌধুরীর সব পরিচয় ছাঁপিয়ে বড় হয়ে উঠেছে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়টি। মহান মুক্তিযুদ্ধে পাবনায় ৮ নম্বর সেক্টরে মুজিব বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করার ক্ষেত্রে রেখেছেন বলিষ্ঠ ভূমিকা।
তারা চার ভাই-বোন। সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত। চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট হলেও ব্যবসার বাইরের জগতের সঙ্গে সম্পৃক্ততা অঞ্জন চৌধুরীর যেন অন্যদের চেয়েও খানিকটা বেশিই।
মিডিয়াকম, মাছরাঙ্গা কমিউনিকেশন্স লিমিটেড, এইজিস সার্ভিসেস লিমিটেড, স্কয়ার সিকিউরিটিজ ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড, স্কয়ার কনজ্যুমার প্রোডাক্টস লিমিটেড, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড, স্কয়ার স্পিনিং মিলস লিমিটেডের মতো প্রতিষ্ঠানকে সামনে থেকে এগিয়ে নিচ্ছেন। সব মিলিয়ে স্কয়ার গ্রুপের কম-বেশি ৩১টি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের ভালো-মন্দের দায়িত্ব তার। এসব নিয়ে ব্যস্ততার শেষ নেই। কোনোটার তিনি চেয়ারম্যান, কোনোটার আবার ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তবে পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও তিনি নানা রকম সামাজিক, পেশাদার ও ব্যবসায়িক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন সক্রিয়ভাবে। আর এটা শুধুই প্রাণের টানেই। অঞ্জন চৌধুরী একাধারে অ্যাভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ, অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি কোম্পানি ওনার্সের (অ্যাটকো) সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মাইক্রো ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসের (মাইডাস) চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ অ্যাগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান, বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) এডুকেশন, সায়েন্স, টেকনোলজি অ্যান্ড কালচারাল ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্টের ট্রাস্টি, সোসাইটি ফর দ্য প্রমোশন অব বাংলাদেশি আর্টের (এসপিবিএ) চেয়ারম্যান, লুক্সেমবার্গ বিজনেস কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে যেমন নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখছেন, ঠিক তেমনি মাটির কাছের মানুষ হিসেবে দারুণ জনপ্রিয় মানুষটি পাবনা জেলার শতবর্ষী অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরি, পাবনার বনমালি শিল্পকলা কেন্দ্রের সভাপতিরও দায়িত্ব পালন করছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। এই লাইব্রেরির জীর্ণ পুরনো ভবন ভেঙে গড়ে দিয়েছেন আধুনিক ভবন। হাজার হাজার অমূল্য বই সংগ্রহের সব ধরনের ব্যবস্থাই করেছেন তিনি। তিনি ঐতিহ্যবাহি পাবনা প্রেসক্লাবেরও সাবেক সভাপতি।
পেশাদার ও সামাজিক পরিচয়ের চেয়ে অবশ্য নিজেকে খেলার মানুষ হিসেবে পরিচয় দিতেই বেশি আনন্দ পান অঞ্জন চৌধুরী। ক্রীড়াঙ্গনে আছে অনেক পরিচয়। বর্তমানে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সহসভাপতি। এ ছাড়া বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের কাউন্সিলর এবং সাবেক সহসভাপতি, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কাউন্সিলর, আবাহনী লিমিটেডের পরিচালক ও ফুটবল কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ গলফ ফেডারেশনের নির্বাহী সদস্য ও কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবের ফিন্যান্স কমিটির সদস্য এবং পাবনা জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও স্যামসন এইচ চৌধুরী টেনিস কমপ্লেক্সের উপদেষ্টা। ফুটবল ফেডারেশনে সক্রিয় ছিলেন দীর্ঘ সময়। তবে আবাহনীর সঙ্গে সম্পৃক্তটা আরও আগে। নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে পরিচালক হিসেবে যোগ দেন ঐহিত্যবাহী ক্লাবটিতে। আবাহনীর দুঃসময়ে ফুটবল কমিটির চেয়ারম্যানের গুরু দায়িত্ব নিয়েছিলেন অঞ্জন চৌধুরী। শুধু ফুটবল নয়, প্রয়োজনে আবাহনী ক্রিকেট দল গঠনেও সহায়তা করেছেন তিনি। ক্রীড়াঙ্গনের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার পাশাপাশি নিজ জেলা পাবনার যুব সমাজকে বিপথগামিতার হাত থেকে রক্ষা করতে বেশ কিছু স্পোর্টিং ক্লাবকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করেন অঞ্জন চৌধুরী। ক্রীড়াঙ্গনে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অঞ্জন চৌধুরী জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পান ২০০৯ সালে। এই গুণী ব্যক্তিত্বকে ক্রীড়াঙ্গন ও মিডিয়ায় অবদান রাখায় অনারারি সদস্যপদ দিয়েছে দেশের ক্রীড়া লেখক ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের সুপ্রাচীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন।
ক্রীড়াঙ্গনের মতো দেশের সংস্কৃতি অঙ্গনেও বিশেষ অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন তিনি। দেশের লোক সংস্কৃতিকে বহির্বিশ্বের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে অনেক দিন ধরে কাজ করছেন। ২০১৫ সালে রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজন করেন ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ফোক ফেস্টিভ্যাল। তিন দিনব্যাপী এই বিশাল আয়োজনে দেশে-বিদেশের বিখ্যাত সব লোকশিল্পী গান পরিবেশনা করেন। এরপর এ আয়োজনটি দেশের অন্যতম সেরা সাংস্কৃতিক আসর হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে। ফি বছর সম্পূর্ণ বিনে পয়সায় কেবল মাত্র অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করে দেশ-বিদেশের বিখ্যাত লোকসংগীত শিল্পীদের পরিবেশনা দেখতে মুখিয়ে থাকে সব শ্রেণির মানুষ। তার মালাকিনাধীন চ্যানেল মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের নিয়মিত অনুষ্ঠান রাঙা সকাল ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই অণুষ্ঠানে সমাজের নানা অঙ্গনে অবদান রাখা সফল মানুষদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। আর ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানের পুরো ভাবনাটাই এসেছে অঞ্জন চৌধুরীর কাছ থেকে।
সুস্থধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করে বিভিন্ন সময় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন অঞ্জন চৌধুরী। তার মালিকানাধীন প্রযোজনা সংস্থা সান কমিউনিকেশন্স লিমিটেড আলোচিত অসংখ্য আর্ট ফিল্ম, শর্ট ফিল্ম, টেলিফিল্ম, একক নাটক, ধারাবাহিক নাটক এ দেশের বিনোদনপিপাসু মানুষকে বিনোদিত করেছে। ২০০১ সালে তার প্রযোজনায় নির্মিত হয় লালসালু চলচ্চিত্রটি। ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিল ছবিটি। এরপর তার প্রযোজনায় একই পরিচালকের লালনও জিতে নিয়েছে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। একই বছর আবু সায়ীদ পরিচালিত শঙ্খ নদ দুটি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পায়। ২০০৫ সালে প্রয়াত তারেক মাসুদ ও ক্যাথেরিন মাসুদ পরিচালিত আর্টফিল্ম অন্তর্যাত্রার বাংলাদেশ অংশের স্বত্ব কিনে নেন অঞ্জন চৌধুরী। ২০০৬ প্রয়াত চিত্রনায়িকা সারাহ বেগম কবরীর প্রথম চলচ্চিত্র আয়নার প্রযোজনা করেন তিনি। ২০০৯ সালে তার প্রযোজিত চলচ্চিত্র মনপুরা ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ ছয়টি শাখায় এই ছবি জিতে নেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। ২০২০ সালে তার প্রযোজিত ও চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত বিশ্বসুন্দরী দর্শকদের দৃষ্টি কেড়ে জিতে নিয়েছিল বহু পুরস্কার। ২০২২ সালে অঞ্জন চৌধুরী প্রযোজিত হাওয়া চলচ্চিত্র নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
অঞ্জন চৌধুরী বিশ্বাস করেন ব্যক্তিজীবনে প্রতিষ্ঠা পেতে সমাজের অবদান কম নয়। তাই সমাজকেও কিছু ফিরিয়ে দেওয়ার দায় আছে। সেই দায়বদ্ধতা থেকে তিনি অনেকগুলো মহতী উদ্যোগের সঙ্গে জড়িত। নারী ও শিশুদের চিকিৎসা সহায়তায় তার উদ্যোগেই খোলা হয়েছে টোল-ফ্রি হেল্পলাইন। যেখানে বিনে পয়সায় শারীরিক ও মানসিক চিকিৎসা পেতে পারেন সমাজের সমস্যাগ্রস্ত নারী ও শিশুরা। গর্ভবতী ও সদ্য প্রসবা মা ও শিশুদের জন্য এই সেবা চালু রেখেছে স্কয়ার গ্রুপের মালিকানাধীন স্কয়ার হসপিটাল। ডাচ সরকারের সঙ্গে মিলে দেশের প্রায় ৩ মিলিয়ন নারী গার্মেন্টস কর্মীর যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার নিয়ে কাজ করছেন তিনি।
ক্রীড়া, সংস্কৃতির পাশাপাশি শিক্ষা প্রসারেও তার ভূমিকা অনস্বীকার্য। পাবনাসহ দেশের নানা জায়গায় স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষার অগ্রযাত্রায় ভূমিকা রাখছেন। স্কয়ার কিন্ডার গার্টেন, স্কয়ার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, দিশারী কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। যেখানে দরিদ্র, সমস্যাগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় এই সব প্রতিষ্ঠান সরাসরি কাজ করছে।
ব্যবসায়ী অঞ্জন চৌধুরীর শো-কেসে স্বীকৃতির অভাব নেই। প্রথম কমার্শিয়ালি ইম্পোর্টেন্ট পারসন (সিআইপি) উপাধি পেয়েছেন ২০০৫ সালে। আর ২০০৮ সাল থেকে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ করদাতাদের একজন তিনি। বাবা স্যামসন এইচ চৌধুরীর পথ ধরে ২০১৭ সালে পোপ ফ্র্যান্সিসের কাছ থেকে বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেন। এর বাইরে পেশাগত নানা সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছেন। দেশি-বিদেশি আরও অনেক স্বীকৃতিই আছে।
দেশের শীর্ষ শিখরে পৌছুলেও ভুলে যাননি অতীত। তিনি পাবনাকে খুব ভালবাসতেন। তিনি পাবনা প্রেসক্লাবসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তিনি সহায়তা করেন। পাবনা প্রেসক্লাবের সম্মানিত জীবন সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া পাবনার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রয়েছে তার অবদান। দেশ বরেণ্য এই শিল্পপতির ৭৩তম জন্মদিনে রইল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

 

লেখক : এবিএম ফজলুর রহমান, সাবেক সভাপতি পাবনা প্রেসক্লাব ও স্টাফ রির্পোটার, সমকাল, পাবনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর