পাট জাগ দেওয়া নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই তাদের ।
এদিকে, বিভিন্ন সময়ে দরপতন, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও পাট ছড়ানোর পানির অভাবে কৃষকরা চাষে এই ফসল চাষে কিছুটা আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এ ব্যাপারে সরকারের পাটের মুল্য বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন এলাকার কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার ৭ টি ইউনিয়নে মোট ৮৮৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ-আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিলো ৷ আবাদ হয়েছে ৮৮৫ হেক্টর জমিতে। গত বছর আবাদ হয়েছিল ৭৯৫ হেক্টর জমিতে।
এবার গত বছরের চেয়ে ৩৫ হেক্টর জমিতে সোনালি আশ বেশি আবাদ হয়েছে ৷ এদিকে আষাঢ় মাস শেষের দিকে শ্রাবণ মাস শুরুর দিকেই । মাঝারী থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের কারনে কিছু কিছু এলাকার খাল-বিল ও পুকুর বৃষ্টির পানিতে ভরে যাওয়ায় পাট পঁচানো নিয়ে দুশ্চিন্তা না হলেও দেখা নেই বন্যার। এলাকার বেশিরভাগ খাল-বিল শুকনো থাকায় চিন্তিত কৃষকরা। পানির অভাবে পাট পঁচানো নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা। পর্যাপ্ত পানি পাওয়া না গেলে পাটের গুণগতমান নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
খাষপুখুরিয়া ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামের কৃষক মো. খোরশেদ আলম বলেন, গত দু’বছর যাবত ২ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি, জাগ দেওয়ার পানির অভাবে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হয়, তাই এখন পাট চাষ বারানো হম্বব হচ্ছে না কারণ কাচা পাট টানতে খরচ বেশি হয়।