রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চাটমোহর বাস স্ট্যান্ডে নাম-পরিচয়হীন মহিলার পরিবারের খোঁজ চলছে চাটমোহরে কবরস্থান কমিটির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ “সরকারি কোয়ার্টারে ডাকাতি” গুরুদাসপুুরে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হান্ডিয়ালে মাদকবিরোধী অভিযান: ১ কেজি গাঁজা ও ২০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১ নাগরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মো. শওকত আলী ব্র্যাক ডেইরির উদ্যোগে “আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ” শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবী কে কারাদণ্ড

চাটমোহরে কবরস্থান কমিটির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: রবিবার, ৩ মে, ২০২৬, ২:৪৫ অপরাহ্ন

পাবনা চাটমোহর উপজেলার বিলচলন ইউনিয়নের দোদারিয়া সেনগ্রাম সম্মিলিত কবরস্থান কমিটির নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
অভিযুক্তরা হলেন তপন কুমার রায় (পিতা: মৃত দেবীপ্রসন্ন রায়), মোঃ আল মামুন জিএম (পিতা: মৃত মোজাহারুল মেম্বার) ও মোঃ মোজাম আলী (পিতা: মৃত রিয়াজ উদ্দিন)। তাদের সকলের বাড়ি সেনগ্রামে।
স্থানীয় কবরস্থান কমিটি পানি উন্নয়ন বোর্ড থেকে একটি জলকর লিজ নেয়। কবরস্থানের উন্নয়নের জন্য কমিটি পরবর্তীতে মনির নামের এক ব্যক্তির কাছে সেই জলকরটি পুনরায় লিজ দেয়। লিজের টাকা চাইতে গেলে মনির জানান, তিনি জলকরটি রতন ও তপনের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন, তাই তিনি কোনো টাকা দিতে পারবেন না।
পরে কমিটির লোকজন উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করলে কর্মকর্তারা জানান, এতদিন যারা জলকর ভোগ-দখল করেছেন তাদের কাগজপত্র সঠিক নয়। এ নিয়ে জটিলতা নিরসনের জন্য কবরস্থান কমিটি জরুরি মিটিংয়ের আয়োজন করে।
অভিযোগ উঠেছে, এই মিটিংয়ের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত তপন কুমার রায়সহ তিনজন রতনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন, “তোমরা জমি বিক্রি করেছ, তাই কমিটির মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে, না হলে যেখানে পাবে মারধর করা হবে এবং বাড়িঘর ভাঙচুর করা হবে।” এই হুমকির মুখে রতনকে বাধ্য হয়ে ২৭ হাজার টাকা দিতে হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
তবে কবরস্থান কমিটির অন্য সদস্যরা এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “যাদের জমি তারা বিক্রি করেছে, এ বিষয়ে আমাদের কোনো হাত নেই। আমরা কাউকে কোনো জরিমানা করিনি এবং এ ঘটনা সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না।”
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী রতনসহ স্থানীয়রা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
চাটমোহর উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হতে পারে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর