সূত্র জানায়, এশিয়ার সেরা জিমন্যাস্টদের এই মহারণে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করতে গত ১৩ জুন চীনের উদ্দেশ্যে দেশ ছেড়েছেন কোয়ান্টামের এই সাত জিমন্যাস্ট। পাহাড়ের বৈরী প্রকৃতিকে জয় করে আন্তর্জাতিক পরিম-লে দেশের জিমন্যাস্টিকসকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া এই সাত স্বপ্নসারথি হলেন- উহাইমং মার্মা, মেনটন টনি ম্রো, মংচিং প্রু ত্রিপুরা, প্রেনথৈ ম্রো, রাজীব চাকমা, উটিংওয়াং মার্মা ও ওয়েওয়ে সাই মার্মা।
এবার এশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে ৭ জিমন্যাস্ট’র সত্যতা নিশ্চিত করে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজ’র ইনচার্জ ছালেহ আহমেদ জানান. এই জিমন্যাস্টদের গল্পটি কেবল খেলাধুলার নয়, এটি কঠোর অধ্যবসায় ও অসম্ভবকে সম্ভব করার গল্প। সিঙ্গাপুরের মাটিতে যে সাফল্যের বীজ তারা বুনে এসেছেন, চীনের কঠিন ট্র্যাকেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটাতে ব্যাকুল এই তরুণরা।
এ বিষয়ে লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আহবায়ক মো. মঈন উদ্দিন বলেন, একই প্রতিষ্ঠান থেকে একসঙ্গে সাতজন জিমন্যাস্টের এমন হাই-প্রোফাইল আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে কোয়ালিফাই করা বাংলাদেশের ক্রীড়া ইতিহাসে এক বিরল দৃষ্টান্ত। চীনের মাটিতে এশিয়ার সেরা শক্তির বিরুদ্ধে লড়তে প্রস্তুত আমাদের এই সাত জিমন্যাস্ট। তাদের নিখুঁত শারীরিক কসরত, মনন আর অদম্য স্পৃহা বিশ্বমঞ্চে টেক্কা দিক সবাইকে উপজেলাবাসীর পক্ষ থেকে রইল শুভকামনা।