বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন

ঈশ্বরদীতে দুই পুলিশ কর্মকর্তা বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

‎‎ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ন

‎পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মাহাবুবুর রহমান ও এএসআই সাব্বির হোসেনের বিরুদ্ধে অর্থ আদায় ও হয়রানির অভিযোগ উঠে এসেছে। লাইসেন্সধারী এক মদের বারের মালিক অভিযোগ করেছেন, তাঁকে আটক করে স্বর্ণের ব্রেসলেট ও মোবাইল ফোন রেখে দেড় লাখ টাকা নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়, আর তাঁর ম্যানেজারকে আদালতে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী বারের মালিক মো. ফেরদৌস আলম শাহীন শনিবার (২৩ মে) স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ পাবনা পুলিশ সুপার বরাবর দাখিল করে বলে জানান। অভিযোগে বলা হয়, গত ২১ মে সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া থেকে কাগজপত্রসহ ব্যক্তিগতভাবে ফেরার পথে রূপপুর পারমাণবিক মোড় এলাকায় পৌঁছালে রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই সাব্বির তাঁদের আটক করেন। পরে ফাঁড়িতে নেওয়ার পর ইনচার্জ এসআই মাহাবুবুর রহমান ও এএসআই সাব্বির তাঁদের কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করা হয়। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে বারের মালিকের হাতে থাকা সোনার ব্রেসলেট ও মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়া হয় এবং মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়। পরে দরকষাকষির পর রাত আনুমানিক দুইটার দিকে দেড় লাখ টাকা নেওয়ার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পরদিন তাঁর ম্যানেজারকে ৪০ পিস হান্টারসহ আদালতে পাঠানো হয়। এদিকে অভিযোগে আরও বলা হয়, ফাঁড়ির ইনচার্জের বিরুদ্ধে স্থানীয়ভাবে বালু ও মাটি উত্তোলন চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রূপপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মাহাবুবুর রহমান। তিনি দাবি করেন, তিনি কাউকে আটক করেননি; শুধু ম্যানেজারকে মাদকসহ আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এবিষয়ে ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, মাদকসহ কারবারিকে ফাঁড়ি পুলিশ ধরলে তাঁরা মামলা দেয়। এর বেশি কিছু জানা যায়নি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমার জানা নেই বলেও জানান ওসি। এ বিষয়ে পাবনা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. ছুফি উল্লাহ মোবাইল ফোনে জানান, কোন অভিযোগ এখনও হাতে পাননি। ভুক্তভোগি সরাসরি দেখা করে অভিযোগ করলে বা অভিযোগে কপি হাতে পেলে অবশ্যয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর