সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে দেশের অসংখ্য মানুষ। ফসল, গবাদি পশু থেকে শুরু করে মাথা গোঁজার ঠাঁইটুকুও হারিয়েছে অনেক পরিবার। সেরকম কিছু পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। এবছর নিজেদের ত্রাণ কার্যক্রমের আরোও পড়ুন...
সম্প্রতি ঢাকায় ‘হুয়াওয়ে ক্লাউড সামিট সাউথ এশিয়া ২০২৪’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, উদ্ভাবক, ক্লাউড সেবার গ্রাহক ও অন্যান্য সহযোগিরা এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনটিতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায়
বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন ধরনের ওয়াই-ফাই ৭ অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। দেশে এই প্রথমবারের মতো ওয়াই-ফাই ৭ ব্যবহার উপযোগী অ্যাকসেস পয়েন্ট পণ্য উন্মোচন করা হয়েছে। সব ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের
বাংলাদেশ রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন নেটওয়ার্ক (বাংলাদেশের এনআরইএন) এবং হুয়াওয়ে যৌথভাবে স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেডের সহযোগিতায় সম্প্রতি একটি দুইদিন ব্যাপী কর্মশালার আয়োজন করেছে। “ফর্টিফায়িং দ্য ফিউচার: বিল্ডিং এ সিকিউর অ্যান্ড স্মার্ট ক্যাম্পাস” শীর্ষক এই
ইউপিজি (UPG) কি? ইউনাইটেড পিপল গ্লোবাল (UPG) আমেরিকা এবং সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। এটি বিভিন্ন উপায়ে এবং বিশেষ করে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যে (SDG) অর্জন করার জন্য বিভিন্ন কর্মকান্ড পরিচালনা
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্টের আয়োজন করেছে বিশ্বের অন্যতম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ কামাল আইটি বিজনেস ইনকিউবেটরে অনুষ্ঠিত এমসিকিউ ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে সম্প্রতি এ রিক্রুটমেন্ট সম্পন্ন করা হয়। চুয়েটের সিএসই, ইইই ও ইটিই বিভাগের প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী এতে অংশগ্রহণ করে। সেখান থেকে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা হুয়াওয়ের সাথে কাজ করার সুযোগ পাবে। এই ইভেন্ট পরিচালনা করেন হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়ার সিনিয়র এইচআর ম্যানেজার মো. ফারা নেওয়াজ, এইচআর ম্যানেজার ইফতেখার রহমান ও এইচআর এক্সিকিউটিভ মো. খালিদ হুসাইন। এ সময় চুয়েটের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে মো. ফারা নেওয়াজ বলেন, “বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা অনেক মেধাবী এবং তাদের মেধার সঠিক পরিচর্যা করা প্রয়োজন। এ কারণেই প্রয়োজনীয় দক্ষতা, উপযুক্ত কর্মপরিবেশ ও সুযোগ-সুবিধা দেয়ার মাধ্যমে তাদের মেধাকে সমৃদ্ধ করার জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে হুয়াওয়ে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সম্পূর্ণভাবে সংযুক্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাংলাদেশ গড়ার যে লক্ষ্য হুয়াওয়ের রয়েছে, সেটিকে এগিয়ে নিতে এসব শিক্ষার্থীদের মাঝে যে আগ্রহ রয়েছে, তা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এই ধরনের কাজের ধারাবাহিক সুযোগ তৈরি ও এটিকে আরো সম্প্রসারণ করার জন্য আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।” অধ্যাপক ড. জামাল উদ্দীন আহাম্মদ বলেন “হুয়াওয়ের এই ক্যাম্পাস রিক্রুটমেন্ট আয়োজন আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করলো। এর মধ্যে দিয়ে আমাদের যেসব শিক্ষার্থীর নতুন কিছু করার উচ্চাকাঙ্খা আছে, তারা স্বপ্ন পূরণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাবে। আমি হুয়াওয়ের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।”