শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
/ সাহিত্য
এই অসময়ে এসো ধরি কলম অস্ত্র দেই ফেলে সমাজের অসঙ্গতি যত দেখি এসো ধরি তুলে। যত কথা যত ব্যথা বুকের ভেতর খুলে বলো দ্বিধাহীন অন্তরের বন্দর যখন কবিতার নোঙর ভাবনা আরোও পড়ুন...
তোরা যাবি নাকি ? চলন বিল, সেখানে দেখবি তোরা বিভিন্ন মৎস প্রজাতির কিলবিল । সেখানে রয়েছে মাঝি-মাল্লা ও পাখ-পাখালির সুর ছন্দ , আরো আছে বাড়ীর উঠানে শুকে দেয়া শুটকীর গন্ধ
এসো হে ক্লান্তিহীন বালিকা, নিরঝুম উত্তপ্ত দুপুরে। কেশের বেনিতে বেলি ফুলে সৌরভে আমি নির ঘুম পথিকের মত চেয়ে থাকি ঐ দীপ্ত লালিমায়। এক মুঠো তপ্ত রোদে পরশ দিয়ে যায়, কোন
শ্রাবণ তোমার আগমনে আজি প্রকৃতি প্রাণে বিস্ময় ক্ষুধা! আনন্দ পিপাসা মেটানো আশা! তোমার অবারিত ধারায় তৃপ্ত আকুলতা, প্রেমের পরশে মাখা! তপ্ত হৃদয় শীতলতা মাগে— শ্রাবণ তোমার প্লাবন স্রোতে— বঙ্গ প্রকৃতি
আমার গ্রামের নাম ডাক কৈগ্রাম দক্ষিণ পাড়ায় থাকি, রাস্তা নেই কাঁদা মাটি পেড়ে হাঁটি আমি আল্লাকে ডাকি। সবুজ প্রকৃতি তুমি বন্ধু মিলে মিশে বাস করি, ফসলের রাণীকে ভালোবেসে আমি ধান
দাদা গেলো দাদী গেলো গেলো বাবা মা এখন আমরা বাঁকি আছি দুই চাচা ভাতিজা। কখন যে কার সময় হবে শেষ বিদায় নেওয়ার অপেক্ষায় থাকি সবসময় পরপারে যাওয়ার। আনন্দে দিন কাটিয়েছি
আমি পথশিশু আবর্জনা কুড়াঁই রাস্তায় রাস্তায় সূয্যি মামা মুখ লুকালে ঘুমিয়ে যাই আমার নীড়ে, আমার নীড় যে রাস্তার প্রতিটি কোণে। আমি পথশিশু তাই বলে কি আমার পেট নেই? তোমরা করো
আমি আর সুখ সমান্তরাল হাঁটি আশার শস্যবীজ নৈরাশ্যের তুষার ভেদ করে মাটিতে শেকড় বসাতেই পারে না। বরফাচ্ছাদিত বাগান দেখে ফিরে যায় গানের কোকিল। জমে গেছে রক্ত জমে গেছে মগজ থেমে