শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
/ সাহিত্য
শরতের আলোয় বড়াল নদীর ঘাটে ফুটেছে কাশফুল, ভাদ্র-আশ্বিনে সূর্যের সোনা রোদের রুপে ফুটেছে রাশি রাশি শিউলীফুল। সাদা সাদা কাশফুলে ভরে আছে বড়ালের দুইকুল বক পানকৌড়ি উড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে, পুটি,চান্দা,খলসে ধরার আরোও পড়ুন...
আজ কতদিন হল দেখি না তোমায় তোমাকে না দেখিতে না দেখিতে, আজ আমার মনটা বড় অসহায়। কত স্মৃতি রয়ে গেছে তোমাতে তোমার ছোঁয়া নাই বলে আজ বড় একা লাগে নিজেকে।
মানচিত্রের পুরো পাতায় জন্মালো গাঢ় কচি ঘাস, আগষ্ট এসে সেথায় করে রক্ত খনন চাষ। অমর বৃক্ষের সর্ব ডালে করিল সে লাশ, বর্ষপঞ্জির আগষ্ট সীমায় শোক – শহরের বাস। মুক্ত পতাকা
ঐ পশ্চিমা শকুন, হায়েনার দল বাংলায় করিতো শোষন নির্যাতন, অসহায় বাঙ্গালীদের বাঁচাতে বঙ্গবন্ধু করেছেন আন্দোলন অনশন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন শাসক হতে নয় চেয়েছেন বাংলায় স্বাধীনতা সুখ-শান্তি, তাতে শোষক হায়েনার কাছে পেয়েছে
চলবে যবান সত্যপানে আর করিনা ভয় প্রতিবাদের কেতন তুলে করব বিশ্ব জয়। মোর যবানে শকতি দিও বলব সবই সত্য  মুখোশ ধারির মুখোশ খুলে গাইব  সঠিক তথ্য বলব সবই বজ্রকনঠে সত্য
আকাশ ভেঙ্গে পড়বে বুঝি কালো মেঘের হাতছানি নায়ের মাঝি যেয়ো না আজি নায়ে দিয়ে বাদাম টানি। উজান বিলে উঠলে তুফান কেমনে যাবে কাজলাপুরী বুঝবে না কেউ রাক্ষুসে ঢেউ তলিয়ে দিবে
এমন একটি ভোরের প্রত্যাশায় চেয়ে আছি দিগন্তপানে অপলক, কবে দেখতে পাবো সেই ভোর কেটে যাবে অমানিশা, দূর হবে ঘোর। বন্দী জীবনের এই অবসর সময় মনে যে ঘটায় কত ভাবনার উদয়।
স্বার্থের কারনে তুমি চলে গেলি আমায় ছেড়ে। বুঝতে চেষ্টা করো নি তুমি কখনো আমার মনের কথা। কি এমন দোষ ছিলো আমার বল। কেনো করিলে এতো অভিনয়। আমার অভিমানটাকে তুমি এতো