বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
/ সাহিত্য
কবি নই শুধু কবিতাকে ভালোবেসে লিখে যাই গুণগান তোমার তারার আলো দিয়ে জোছনা আলো দিয়ে শূন্যে উড়াই আমার আঁচলখানি আকাশ কুসুম ভাবনাতে শুধু তোমায় নিয়ে প্রেমের শরাব পিয়ে। কবি নই আরোও পড়ুন...
ছুটির দিনের সকালে একটু থামা,বিচ্ছিন্ন বিরাম, নতুন ভাবে শ্বাস ভরে নেওয়া,কিছুটা আরাম, অবসরের পেয়ালা, হালকা চুমুক চায়ে, অঘ্রাণী ফুলকো লুচি, আলু কপি ভাঁজা, পত্রিকা সরগরম, তরজা তাজা, আড্ডা গুলতানি, হরেক
দেহের কোন অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ হইলে সর্বদাই দেহ জ্বালাতন করে। কিন্তু, প্রিয়জন দূরে সরে গেলে সে ব্যথা কলিজার ভিতর – বল্লমের মত আঘাত হানে ভেঙে যায় মন। ঝড়ো বাতাসে দুমড়ে মুচড়ে
চলতে গিয়ে পথে ঘাটে কতো কিছু দেখি, কিছু আছে স্রস্টার সৃস্টি কিছু আছে মেকি। দুনিয়ার মোহে পড়ে ভক্ত হই সসীমে, মনটা বড় এলোমেলো চোখ যায়না অসীমে। আলো ভেবে আলেয়াকে অল্প
নেই আর কোনো বন্ধু নেই আর সেই প্রিয়জন, পরিচিতের তালিকার শহর আজ বড়োই অল্পজন। সে ছিলো এক প্রেমময় মিলিত হৃদয়স্পন্দনের টান, সেতো এখন না পাওয়া ইচ্ছার তিব্র-বেদনার ভান। কার মুখের
কবিতা শেষ না করেই চলে যাবি? এত কিসের তাড়া তোর? আগে এসেছিস বলে কি – আগেই যেতে হয়! ছন্দ মিলে যদি ছন্দ হয়- সুর হতে দোষ কোথায়? কবিতাতে দাড়ি- কমা
কতক্ষণ থাকা যায় নোটবুক  ধরে! চেতনাবিহীন নেটজালে যোগাযোগ করে। এই আছি এই নেই দিন আসে যায়, কতটা একলা হলে সাথী খোঁজা যায়। কতটা নিঠুর হলে নেটযোগ নিমেষেতেই ভুলে, সান্নিধ্য বিহীনভাবে
চারিদিকে শব্দের উৎসব ; শাসন প্রতিষ্ঠার আয়োজনে শাসক। ভালোর লুকোচুরি’তে মন্দের হিসাব কুরুক্ষেত্র চালিয়ে শান্ত স্বভাব। রাজনৈতিক ভোটে দাঁড়াতে হিসাব শিক্ষার ছোবলে নিহত বিদ্যাপীঠ। নির্বাচনের ময়দানে হাহাকার চিত্র শুনানিতে ক্ষমতার