সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৪ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
আমার বাড়ির এক কোনে খড়ি দিয়ে বাসা বুনি, থাকতো এক শালিক মনি আমি তার ডাক শুনি। হাত বাড়ালে দিতসে ধরা আদরের ফুল ঝুড়ি, মাথা পালকে করি আদর ছিটাই মাটিতে মুড়ি। আরোও পড়ুন...
আমার নাম সন্ধ্যা তারা ছোট আমার গ্রাম মা-বাবার সাথে আমি ভালো দিন কাঁটাতাম। বাবা ছিল ছোট কৃষক মা ছিল গৃহীনি, তাদের মাঝে আমি ছিলাম দুঃখের খোকা মনি। ইচ্ছে আমার পড়াশোনা
বন্যার জল আর অশ্রুজল করা যায়না ভাগ, অসহায় রে করো সহায়তা শত্রুতা করো ত্যাগ। চোখের সামনে স্বজনের লাশ নাইরে শুকনো জায়গা, ভেলায় ভেসে অচিন দেশে যায় রে যায় অভাগা। তোর
বঙ্গবন্ধু দিল ডাক বাঙ্গালী জাগরে জাগ। বাংলা মোদের মাতৃভাষা ছিল বাঙালির বড়ই আশা। ৭ই মার্চের ভাষণ বাঙালীদের আছান। বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির পিতা এই সত্য পাকিস্তানী ভক্তদের কাছে লাগে তিতা। বিশ্বের
যে বাবা আজ মাথায় করে করলো তোমায় পার, তার কথা কি থাকবে মনে ওপার গেলে আর? নিজের জীবন যাচ্ছে ডুবে ছেলেকে মাথায় তুলে, ডাঙার খোঁজে পা বাড়ালেন সব বেদনা ভুলে।
বৃষ্টি বনাম বন্যার খেলা সিলেট জেলার মাঠে, জলের সাথে পাল্লা দিয়ে ঘর-বাড়ি সব ছুটে। স্কুল ঘরের ছাঁদের উপর কেউবা বৃক্ষ শাখে, হাঁস-মুরগি,গরু-ছাগল জলের ঘূর্ণিপাকে। ছেলে কোলে নিয়ে মা আঁখি ভরা
আগমন হলো ফের অভিরাম আষাঢ়ের, অবিরাম পড়ে জল আকাশের নয়নের। জমে মেঘ কালো হয় গগনের ধলা মুখ, দিবসেই নামে রাত পেয়ে ভয় কাঁপে বুক। কদমের শাখাদের পুলকের সীমা নেই, শতাধিক
শিক্ষক আমি পথপ্রদর্শক জাতির কারিগর, শিক্ষক আমি মহাপ্রজ্জ্বালক- জ্যোতির বাতিঘর। শিক্ষক আমি মতপ্রকাশক সুনীতি নির্ধারণে, শিক্ষক আমি সংস্কারক- দূর্নীতি নিবারণে। শিক্ষক আমি মশালবাহক আঁধার করিতে আলো, শিক্ষক আমি আহ্বায়ক- সমাজ