সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
তেলের দাম বাড়ছে ভাই বাইক নিবে না  জামাই লাগবে বাইসাইকেল, বৌয়ের কাছে চাই না কিছু যদি আসো আমার পিছু চাইবো তখন তেল। বিয়া করে করবো কি? লাগবে আরও কত কি? আরোও পড়ুন...
“হে-যুবক যেওনা সে পথে, যে-পথে গিয়েছে মানুষ নামের পশু। “হে-যুবক যেওনা সে পথে যে-পথে ছলনাময়ী নারী থাকে চেয়ে। “হে-যুবক খেওনা সেই বস্তু, যেটা তোমার অন্তরকে করে তিক্ত, হে-যুবক কোন ছলনাময়ী
“বাবা তুমি চিরতরে চলে গেছো রেখে গেছো কত শত স্মৃতি, আদর্শবান একজন মানুষ ছিলে মনে লালন করতে সুনীতি। তোমায় দেখে অসত্য কাঁপতো অসাধু থাকতো ভয়ে অনেক দূরে, তোমার মত আদর্শবান
“জনগণের বিশ্ববিদ্যালয় তার নাম পাঠাগার/ গ্রন্থাগার, মনের ক্লান্তি দূর করতে একটু সময় হবে কি তোমার? বিশ্বকে জানার জন্য এখানে আছে যত লেখনী, জ্ঞান অন্বেষণ করতে সেখানে কখনও কি যাওনি !
জন্মটা হোক যথা তথা কর্মটা হোক ভালো, জন্মটাকে খুঁজে বেড়াক কর্ম গুণের আলো। জন্ম যদিও ভাগ্য লিখন কর্ম কপালে নয়, কর্মটা কে জন্ম দিয়ে নিজেই গড়তে হয়। ভাগ্য লিখন থাকবে
হচ্ছো তুমি অনেক বড় কোন কিছুর অভাব নাই। লোভের নিশায় পইড়া তুমি করছো মনে যা চায়। বাবা-মা তোমার অনাহারে বৃদ্ধাশ্রমে থাকে,,,,,,,,,,,,,,,। একটু খানি খোঁজ রাখোনা পড়ের মেয়ে এনে। ধন সম্পদ
মেঘ পাখিরা পাখনা মেলে যায় উড়ে দূর দেশে, ডানায় করে আনবে পানি ভাসিয়ে দিবে শেষে। সেই পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে কলা গাছের ভেলা, সারাটি দিন তোমায় নিয়ে করবো আমি খেলা। লাগলে
আমি বাঙালি বাংলা ভাষা আমার অলংকার অথচ সেই অলংকারবিহীনভাবে এখনো শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাই। কারণ আমিতো বাঙালি, যেখানে  মিসে আছে হাজারও রক্তাক্ত মাটি ও শহীদের রক্ত।  এই বাংলাকে