রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
মায়ের চোখে বৃষ্টির ধারা – হে স্বাধীনতা! তোমায় পেতে বড্ড দিশাহারা। বোন কে নিছে পাক-বাহিনী দল সম্ভ্রম নিছে লুটে ! নদীর জলে লাশ করছে টলমল। নব-বধুর অঙ্গে জড়ানো হলুদ শাড়ি আরোও পড়ুন...
একটি স্বাধীন নিশান পেতে একটি স্বাধীন নিশান, দেশে দেশে করছে লড়াই কত যুবক কিষাণ। কত নারী মান হারিয়ে মন যে করে ক্ষত, নিশান পেতে দ্যায় যে ওরা জীবন শত শত।
কৃষ্ণচূড়ার আগুন ঝরা,  রূপের ছড়াছড়ি কোকিলের মিষ্ট গানে,  চলছে বাহাদুরি।  আলতা মাখা পলাশ ফুল ফুটছে ভরি ভরি গাছ তলাতে ঝরা ফুল ঝুলছে হয়ে কানে দুল। রক্ত রাঙা শিমুল ফুল ডাকছে
ঠোঁটের গোলাপ কিংবা অঙ্গ ঝরা পানি,  তোমার দেহ স্পর্শ করতে পারে; শিশির বিন্দু পেয়ে আনন্দে উড়তে পারি; ব্যভিচারী হয়ে তুমি ঘুরতে পারো মেঘের সঙ্গে! কিন্তু! তাতে লাভ কি? চিত্ত কপাট
মানবজাতি বাস করিতে এই সমাজের মাঝে, পরস্পরে চলে সবাই  নানা কথায় কাজে। চলতে পথে সকল সময় সকল মানুষজনে, হয়না চলা কাউকে ছাড়া জীবনের এই ক্ষনে। সুখে দুখের সকল কথা যার
হৃদয়, সে তো মস্ত স্বাধীন! ফাল্গুনের আগুনে জ্বলছে দেহ চিত্ত দাও দাও। দেহ মন কখনো শান্ত, কখনো অশান্ত; চোখে মুখে বড্ড হাসি, হঠাৎ চোখের জলে অগ্নি, ছারখার করে
শেষ শীতের হিম-শীতল কামড় ক্ষত-বিক্ষত করে হাড় গোড়; চামড়া ছিঁড়ে-ফেটে হয় চৌচির! হাওয়ার দিক ঘুরতে রুগ্ন প্রকৃতি, হয়ে ওঠে সবুজ সতেজ। বসন্ত বাসন্তিকে পাখির সুমিষ্ট কণ্ঠে করে মত্ত! হরেক রকম
বাংলা আমার মুখের ভাষা বাংলা আমার জান, বাংলা ভাষা শ্রেষ্ঠ ভাষা মহান প্রভুর দান। বাংলা ভাষায় পড়ি লেখি করি নানান খেলা, বাংলা ভাষা কোনো সময় করব না ভাই হেলা। শফিক