মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আমশড়া মাদ্রাসার ২১পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন?  মানিকগঞ্জে বিবিএ ছাত্র রিদোয়ান অপহরণের ৯ দিন পার, রাজপথে মানববন্ধন সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কৃষকদের নিয়ে রুহিয়ায় পার্টনার প্রকল্পের পিএফএস গ্যাপ স্কুলের ২য় সেশন অনুষ্ঠিত ‎অভয়নগরে চুরি যাওয়া দুই গরু উদ্ধার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেবোত্তর ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা  সিলেটে অক্টোবরের ডেঙ্গুতে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন ‘পাবনা পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র প্রার্থীদের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
/ লাইফস্টাইল
লবণ আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি ছাড়া সব খাবারই বিস্বাদ। রান্নাতে পরিমাণ মতো লবণ না হলে অনেকেই খাবারে কাঁচা লবণ মিশিয়ে খান। বিভিন্ন ভাবে সারা দিনে কতটা লবণ বা সো়ডিয়াম শরীর প্রবেশ করে তার হিসাব হয়তো অনেকেই রাখেন না কিংবা জানেনই না কতটুকু লবণ খাওয়া দরকার। কতটুকু লবণ খাবেন? একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষ প্রত্যেক দিন এক চা চামচ পর্যন্ত লবণ খেতে পারেন। রোজের খাদ্যতালিকায় পাঁচ-ছ’গ্রাম লবণ খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। তবে বিশেষত উচ্চ রক্তচাপ বা কিডনির সমস্যায় দীর্ঘ দিন ধরে ভুগলে কাঁচা লবণ খাওয়া বন্ধ করতে হবে। লবণ খেলেও যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে ১) মাখন, চিজ, পাউরুটি ইত্যাদি খাবারে লবণ থাকে। রোজের খাদ্যতালিকায় এই জাতীয় খাবারগুলি থাকলে অন্য খাবারে লবণের পরিমাণ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। আরোও পড়ুন...
আমাদের প্রতিদিনের ইফতারে ছোলার সঙ্গে নানা রকম চপ থাকেই। পেঁয়াজু, আলুর চপ আর বেগুনি ছাড়া তো ইফতার ভাবাই যায় না। তবে ইফতারে ভিন্নতা আনতে নতুন কিছু তৈরি করতে পারেন। ভাবছেন
সংযম ও রহমতের মাস রমজান। রমজান মাস আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু ধর্মীয় দিক থেকে নয়, রোজা পালন করা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। রমজান মাসে আমাদের খাবারের রুটিনে অনেকটা পরিবর্তন
সাধারণত কিডনির অসুখ দেরিতে ধরা পড়ে। একটি কিডনি বিকল হয়ে গেলেও অন্যটি কাজ করায় এর ক্ষতি সম্পর্কে আগে থেকেই আঁচ করা যায় না। তবে শুরুতে সচেতন হলে ক্ষতি কমিয়ে আনা সম্ভব। কিডনি রোগীদের খাবারের ব্যাপারে বিশেষ সচেতন হতে হবে। জেনে নিন কিডনি রোগীদের খাবারের
দেশে প্রথমবারের মতো সফলভাবে মানবদেহে মেকানিক্যাল হার্ট প্রতিস্থাপন করেন প্রখ্যাত হার্ট সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। বুধবার (২ মার্চ) রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ৪২ বছর বয়সী এক নারীর মেকানিক্যাল হার্ট প্রতিস্থাপন করা
আমাদের সৌন্দর্য ও ব্যক্তিত্বের অনেকটাই নির্ভর করে নখের ওপর। চুল ও ত্বকের সঙ্গে সমান তালে নখের যত্ন নিতে হবে। অনেকের নখ একটু বড় হলে ভেঙে যায়। দুর্বল নখ শক্ত করতে কিংবা নখের বৃদ্ধি বাড়াতে ‘হট অয়েল মেনিকিউর’করতে পারেন। যেভাবে করবেন হট অয়েল মেনিকিউর- সাধারণত মেনিকিউর করতে পানি ব্যবহার করা হয়, এ ক্ষেত্রে পানির পরিবর্তে ব্যবহার করা হয় গরম তেল। নখ রুক্ষ হয়ে থাকলে বা সহজেই ভেঙে গেলে নখকে সুন্দর করে তোলার জন্য এই হট অয়েল মেনিকিউর দারুণ উপকারী। গরম তেলে নখ ডুবিয়ে রাখলে নখের ডগায় ও নখের চারপাশে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। ফলে নখের চারপাশের পাতলা ত্বক নরম থাকবে। তাই হাতে বয়সের ছাপ পড়ে না। এটি করার জন্য পার্লারে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বাড়িতে বসে সহজেই নিজেই করে নিতে পারবেন। ক্যাস্টর অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল, ভিটামিন ই অয়েল, টি ট্রি অয়েল এবং আমন্ড অয়েল সম পরিমাণে মিশিয়ে নেবেন। এই প্রত্যেকটি তেলের গুণই আপনার নখের প্রয়োজন।
মানসিক অবসাদ ও ডায়াবেটিস একটির সঙ্গে আরেকটি সম্পর্কযুক্ত। কোনও ব্যক্তি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে তার মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ঠিক একই রকমভাবে কোনও ব্যক্তি মানসিক অবসাদে আক্রান্ত হলে তার ডায়াবেটিস হওয়ার আশঙ্কাও যথেষ্ট। দু’টো রোগ পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত হওয়ায় এদের চিকিৎসা একই সঙ্গে হওয়া সম্ভব । একটি রোগের প্রকোপ কমলে তার সঙ্গে তাল রেখে কমে যেতে পারে অন্য রোগটির ঝুঁকিও। ১। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে সামগ্রিক স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বেড়ে যায়, যা অন্য একাধিক রোগ ডেকে আনতে পারে। ফলে রোগীর মনে ঢুকে যেতে পারে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত দুশ্চিন্তা। দীর্ঘদিন এই দুশ্চিন্তা থাকলে তা মানসিক সমস্যা ডেকে আনতে পারে। ২। ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীদের খাদ্যাভ্যাস ও জীবনচর্চায় পরিবর্তন আনতে হয়। হঠাৎ এই পরিবর্তনের ফলে মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। ৩। মানসিক চাপ ও মানসিক অবসাদের মত সমস্যা বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে হরমোন ক্ষরণকে প্রভাবিত করে। বিশেষত, হরমোনের ভারসাম্য বিগড়ে গেলে তা ডায়াবেটিস রোগীদের পক্ষে বেশ বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে।     #চলনবিলের আলো /
কফি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় পানীয়। অনেকেই সকালে ঘুম থেকে এক কাপ কফি দিয়ে দিন শুরু করেন। সারাদিনের ক্লান্তি মেটাতে কফির জুড়ি নেই। কফির রয়েছে হাজারো গুণ। ওজন কমাতে কফি বেশ উপকারি। এটি মানসিক অবসাদ কাটাতে সাহায্য করে।