সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় ‘প্রটোকলস অ্যান্ড ট্রিগার-বেজড ইনস্টিটিউশনাল সিস্টেম ফর টাইমলি হিউম্যানিটারিয়ান অ্যান্ড অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন’ (প্রতিষ্ঠা) প্রকল্পের উপজেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ইকো-সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)-এর বাস্তবায়নে এবং কেয়ার বাংলাদেশের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন চৌহালী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. এ বি এম কায়সার।
সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. শাহ আলম, উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবদুল করিম, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জাহিদ মোল্লা, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা তপন কুমার সূত্রধর, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীম জাহিদ তালুকদার, শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুন্নাফ খান, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা সেলিম হোসেন, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. রিয়াজ হোসেন, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.সাইমা সুলতানা রুমি, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা একাডেমিক সুপারভাইজার খালিদ মাহমুদ, ইউআরসির চঞ্চল কুমার মিস্ত্রি, ঘোরজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রমজান আলী, খাষকাউলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবলু, মনিটরিং এন্ড ডকুমেন্টেশন অফিসার মোঃ বেলাল হোসাইন, ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর বৃন্দ। উপজেলা পর্যায়ে অবহিতকরণ কর্মশালার সন্চলনায় ছিলেন প্রজেক্ট অফিসার গৌতম কুমার রায়।
কর্মশালায় প্রকল্পের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম এবং দুর্যোগের আগাম পূর্বাভাসের ভিত্তিতে সময়োপযোগী মানবিক ও অ্যান্টিসিপেটরি কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত ভূমিকা ও প্রস্তুতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আগাম সতর্কতা ও পূর্বপ্রস্তুতির বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে সরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।