রোববার (২৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সাঙ্গু নদীর তিন্দুমুখ ও বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকার মাঝামাঝি স্থান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান ময়মনসিংহ সদর উপজেলার মাসকান্দা গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও প্রশাসন জানায়, শুক্রবার দুপুরে আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা দিয়ে ১৩ জন পর্যটক তিন্দু বাজারে পৌঁছান। পরে স্থানীয় গাইড গর্জেন ত্রিপুরা তাদের গ্রহণ করেন। বিকেলে তারা তিন্দু ঘাট থেকে দুটি নৌকায় রেমাক্রির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। একটি নৌকায় ছয়জন এবং অন্যটিতে সাতজন পর্যটক ছিলেন।
রেমাক্রির পথে তিন্দু বড় পাথর (রাজাপাথর) এলাকায় পৌঁছালে সাঙ্গু নদীর তীব্র স্রোতে সাতজন আরোহী থাকা একটি নৌকা ডুবে যায়। এ সময় ছয়জন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও জাওয়াদ-উল ইসলাম মাহিয়ান নিখোঁজ হন।
দুর্ঘটনার পর গত দুইদিন ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, বিজিবি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তাকে খুঁজে পাননি। রোববার সকালে তিন্দুমুখ ও বড় পাথরের মাঝামাঝি এলাকায় তার মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেন।
তিন্দু ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মংপ্রু অং মারমা বলেন, “সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বড় পাথর ও তিন্দুমুখের মাঝামাঝি স্থানে (মারমা নাইঃ অং বলে) নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ ভেসে উঠতে দেখে স্থানীয়রা প্রশাসনকে খবর দেয়। পরে বিজিবি সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করে।
থানচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, “মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে । তারা ফিরে এলে উদ্ধার অভিযান ও ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।