কদমগাছের ছায়ায় একা নিরালায়
দাঁড়িয়েছি, আকাশপ্রদীপ দেখবো বলে,
হুমায়ুন আজাদকে ভালোবাসবো বলে।
হাজার বছরের সাক্ষী হবো
হৃদয়ের কথা শুনবো
নিজেকে ভালোবাসবো
হুমায়ুন আজাদকে ভালোবাসবো।
আজ হতে হাজার বছর পর
বাংলার আকাশ যখন আর আগের মতো থাকবে না
পুরো পৃথিবী যখন হবে ভাসমান কলোনি;
বাংলার আকাশ যেদিন হুমায়ুন আজাদের আকাশে রূপ নিবে
সেদিন তুমি বুঝবে
হুমায়ুন আজাদকে খুঁজবে
হুমায়ুন আজাদকে ভালোবাসবে।
বাংলার আকাশে যখন রবির আলো
নিভু নিভু প্রায়
হাইড্রোজেন আর হিলিয়াম
মিলেমিশে একাকার
পরমসত্ত্বা আর বিমানবিকতার বিষে
প্রাণ বুঝি যায় যায়!
স্বমহিমায় মহিমান্বিত হয়ে,
বিকচ চিত্তে, বাংলার আকাশে-নিসর্গলোকে
আবির্ভূত হবেন,এক কবি,
মহাকবি হুমায়ুন আজাদ।
শুধুই কী কবি ?
তিনি বাংলাদেশের প্রধান প্রথাবিরোধী,সত্যনিষ্ঠ,বহুমাত্রিক লেখক।
তিনি কবি,ঔপন্যাসিক,প্রাবন্ধিক,কলাম- লেখক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক,রাজনীতিক ভাষ্যকার,কিশোর সাহিত্যিক,প্রবচনবিদ,অধ্যাপক,দার্শনিক ।
তিনি স্বমহিমায় প্রজ্বলিত প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব
বাংলার আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র
তিনি নিজস্ব ভঙিমায় দেখিয়েছেন তাঁর সৃজনশীলতা আর মননশীলতার নতুন দিগন্ত
ভাষার তীক্ষ্ণ গতিধারে, এই গদ্যশিল্পী
জোরালো যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন –
বাঙালির তুচ্ছতা।
তাইতো ভয়ে অনেকে বলেন,
তিনি ব্যতিক্রমী,পন্ডিত।
এবং কী নয় ?
তিনি হাজার বছরের আলোকবর্তিকা,
হুমায়ুন আজাদ!