শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সাঁথিয়ায় ধর্ষিতার পরিবারকে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি ভাঙ্গুড়ায় কস্টিক সোডা-তেলে তৈরি হচ্ছিল দুধ, ভ্রাম্যমান আদালতে বছরের কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা চাটমোহরে ভ্রাম্যমান আদালতে ৩ মাদকসেবীর ১৫ দিনের কারাদণ্ড পাবনার সংবাদপত্র ও সাংবাদিকতার অন্যতম বাতিঘর শফিউর রহমান খানেক আজ ২৫তম মৃত্যুবার্ষিকী- এবিএম ফজলুর রহমান আটোয়ারী উপজেলার মাসিক আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা ও সাধারণ সভা নওগাঁয় বিআরটিসি বাসের চাপায় প্রাণ গেল শিক্ষকের  এবিএস ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইমাম গাযযালী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ রাণীনগরে  প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মেরামত কাজের আগেই ভুয়া ভাউচার দিয়ে বরাদ্দের টাকা উত্তোলন

পাবনায় ব্যবসায়ী হত্যা মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন, ২৫ হাজার টাকা জরিমানা, দুইজনকে খালাস দিয়েছে আদালত

মাসুদ রানা, আটঘরিয়া পাবনা:
আপডেট সময়: সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭:৪০ অপরাহ্ন

পাবনার সদর উপজেলার ভাঁড়ারায় আলাউদ্দিন ওরফে আলাল নামের এক বালু ব্যবসায়ীকে অপহরণের পর হত্যার দায়ে ৪ জনের যাবজ্জীবন দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিদের ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন। অপরদিকে নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় দুইজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ২২ বছর পর সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনার বিশেষ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আহসান তারেক এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক, আসামিদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন।
সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- সুজানগর উপজেলার মৃত ডা. ছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হাসান, ভবানীপুর গ্রামের আব্দুল গণি শেখের ছেলে কালাম শেখ, ভাঁড়ারার আওরঙ্গবাদ এলাকার আকবর শেখের ছেলে নজরুল ইসলাম এবং সদর উপজেলার বাহিরচরের আবুল কাশেমের ছেলে রবিউল ইসলাম রবি। আসামিদের মধ্যে মো. জাহাঙ্গীর হাসান এবং রবিউল ইসলাম রবি আদালতে উপস্থিত ছিলেন বাকি দুইজন পলাতক। পরে জাহাঙ্গীর ও রবিকে কারাগারে প্রেরণ করেন আদালত।
নিহত আলাউদ্দিন ওরফে আলাল ভাঁড়ারা ইউনিয়নের আওরঙ্গবাদ এলাকার মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। পেশায় তিনি বালির ব্যবসায়ী ছিলেন। আলালের সঙ্গে বালির ব্যবসার সূত্রেই আসামি মো. জাহাঙ্গীর হাসানের দীর্ঘ পরিচয় ছিল।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ব্যবসায়ী লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে ২০০০ সালের ৩ আগস্ট বৃহস্পতিবার সকালের দিকে অন্যান্য আসামিদের দিয়ে নিহত আলাউদ্দিন ওরফে আলালকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান জাহাঙ্গীর। পরে তাকে হত্যা করে পাশের পাশের চরতারাপুর পয়েন্টের পদ্মা নদীতে ফেলে দেয়। ঘটনার ৩ দিন পর পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
এঘটনায় নিহত আলালের চাচা আনিসুর রহমান বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় প্রথমে জাহাঙ্গীরকে অব্যহতি দিয়ে অভিযোগপত্র দিলেও পরে বাদীর না-রাজিতে দ্বিতীয় বারে জাহাঙ্গীরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ১২ জনের স্বাক্ষী ও দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত এই রায় দিলেন।
অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম সুমন বলেন, ‘রাষ্টপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, শুধুমাত্র অভিযোগপত্রের ওপর ভিত্তি করে আদালত এই রায় দিয়েছেন। ফলে আমার মক্কেলরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা উচ্চ আধালত আপিল করবো আশা করি সেখানে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।
তবে রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করেছেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক। তিনি  বলেন, ‘আসামিদের অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে আদালত তাদের উপযুক্ত শাস্তি দিয়েছেন। এর মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আমি মনে করি।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর