মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বিশ্ব মানবতার মুক্তির দিশারি হযরত মোহাম্মদ রাসুল.(সঃ) কে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন বিশ্ব তথা মানব জাতির জন্য রহমত হিসেবে। হজরত আদম (আ.)-এর মাধ্যমে দুনিয়ার বুকে প্রথম নবীর আগমন, আরোও পড়ুন...
হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘মহানবী (সা.) প্রিয় মাতৃভূমি মক্কা মুর্কারামা হতে হিজরত করে মদীনা মুনাওয়ারায় এসে দেখলেন, মদীনাবাসীরা মিহিরজান ও নওরোজ নামে দুটি দিবসে ক্রিয়া ও উৎসব
আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে অনুগত হয়ে নিজের মনের হিংসা-বিদ্বেষ, রাগ-অভিমানসহ সব ধরনের কুপ্রবৃত্তিকে দমন করার জন্য পবিত্র ও হালাল পশু আল্লাহর নামে জবাই করার নাম কোরবানি। কোরবানি করার পর একজন
বর্তমান বাংলা নববর্ষ তথা পহেলা বৈশাখ পালনের আধুনিক সংস্করণের কিছুটা নমুনা এই রকম, রবীন্দ্রসংগীতের মাধ্যমে বর্ষবরণ, বৈশাখী মেলা, রমনার বটমূলে পান্তা-ইলিশের ভোজ, জীবজন্তু ও রাক্ষস-খোক্কসের প্রতিকৃতি নিয়ে গণমিছিল, নারী-পুরুষের অবাধ
বিদায় বা প্রস্থানের আরবি হলো ‘আল বিদা’; তাই রমজানের শেষ শুক্রবারকে ‘জুমাতুল বিদা’ বলা হয়ে থাকে। জুমাতুল বিদার মাহাত্ম্য অত্যধিক। রমজান মাসের সর্বোত্তম দিবস হলো জুমাতুল বিদা। ইসলামি মাসসমূহ ও
ফিতরা বা সাদকাতুল ফিতর হলো সেই নির্ধারিত সাদকা, যা ঈদের নামাজের আগে অসহায় গরিব-দুঃখীদের দিতে হয়। এটিকে জাকাতুল ফিতরও বলা হয়। ঈদের দিন সকালেও যদি করো কাছে নিসাব পরিমাণ সম্পদ-
রমজান রহমত বরকত ও মাগফেরাতের মাস। গুরুত্বপূর্ণ মাস বিধায় সবাই চায় কীভাবে এ মাস থেকে বেশি বেশি উপকৃত হওয়া যায়। সবাই পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্ত করে পবিত্র একটি জীবন শুরু করতে
একজন মুসলিম মহা মর্যাদাপূর্ণ মাহে রমজানের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন। তিনি দিন গুনতে থাকেন কবে আসবে মাহে রমজান? কবে থেকে রোজা রাখব; মুসলিমদের কাছে মাহে রমজানের আগমন ঠিক এরকম,