রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
/ কৃষি সংবাদ
চাটমোহরে বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ও বৃষ্টির অভাবে জমি শুকিয়ে আবাদকৃত আমন ধান মরে যাচ্ছে। গরু-ছাগলের খাদ্য হিসেবে সেই ধান গাছ ব্যবহার করছেন কৃষকেরা। বর্ষা মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি ও বৃষ্টির আরোও পড়ুন...
দেশের বৃহত্তম বিল চলনবিলসহ নিচু অঞ্চল আষাঢ় মাসেই তলিয়ে যায়। নদী-নালা, খাল-বিল থৈ থৈ করে পানিতে। এখন শ্রাবণ মাস, চলনবিলে এবার ভরা বর্ষাতেও পানি নেই। এর প্রভাব পড়েছে তিন জেলার
” মাছে ভাতে বাঙালি ” অনেক আগেই প্রবাদ বচনটি অর্থহীন হয়ে গেছে। এ দেশের কৃষক মানে সমাজের একটা শোষিত, অবহেলীত, প্রতিবাদহীন জনগোষ্ঠী! আর কৃষিখাত মানে কৃষকের ঘাম ঝড়া ফসলের ন্যায্যমূল্য
ঋতুচক্রে বর্ষাকাল শুরু হয়েছে। নদ নদীতে নতুন পানি এসে গেছে। দেশীয় মাছের জন্য বিখ্যাত চলনবিল। ঐ পানি চলনবিল অঞ্চল চাটমোহরেও ঢুকতে শুরু করেছে। বর্ষার শুরু থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে ও উজান
চাটমোহরসহ চলনবিল অঞ্চলে বোরো ধান কাটা নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষক। হাজার টাকাও মিলছেনা কৃষি শ্রমিক। মাঠেই নষ্ট হচ্ছে ধান। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি
প্রতি-ঘণ্টায়-হারভেস্টার-কাটছে-১-একরের-ধান। টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে  প্রায় প্রতি বছর  কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন দিয়ে ধান কাটছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ দাবি করছে, কৃষকদের আধুনিক চাষাবাদের জন্য যান্ত্রিকীকরণের বিষয় উৎসাহ দিচ্ছে ও সরকার
পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় তোশা ও দেশি পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবছর আটঘরিয়া উপজেলায় ৫হাজার ১৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাট পরিচর্যায় ব্যস্ত সময়
বরিশাল জেলার অন্যতম শষ্য উৎপাদনকারী উপজেলা আগৈলঝাড়ায় জমির পাকা ধান ঘরে তলিতে না পেরে বিপাকে পরেছেন চাষিরা। ঘূর্ণিঝড় ‘অশনী’র প্রভাবে থেমে থেমে মাঝারি ও ভাড়ি বৃস্টি ও শ্রমিক সংকটে পাকা