শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
সার্কাসের রঙ্গমঞ্চে উঠেছে আজ তোমার আমার ভালোবাসা। কয়েক মূহুর্তের ভেল্কিবাজিতে ধাঁধিয়ে যাওয়া চোখ জুড়ে হঠাৎ ই নেমে আসে, ভারি কালো পর্দা। নেমে আসে সীমাহীন শূণ্যতা। খানিক আগেই চিকন সুতার উপর আরোও পড়ুন...
তুমি এসেছিলে আমি জানি তুমি জানো নাই তোমার হাসির অকপট বৃষ্টি ধারায় আমি কাক ভেজা ভিজেছি অনেক তোমার অভিমানের তুমুল রোদ্দুরে শুকিয়েছি নিত্যদিন- ভেতর বাহির আমার ভাবনার ছাদে; তুমি জানো
হে ঈশ্বর! ভগোবান! তুমি মানুষ বানালে ঠিক আছে উঁইপোকা ছারপোকা তাও চলে গোবরে পোকা পর্যন্ত মানা যায় কি কারণে তুমি বলো- গরিব নামের এই আজব প্রাণীটাকে বানালে এই অপদার্থ প্রজাতিটা
আরও কতখানি মনখারাপী ধরে রাখা যায় সঙ্গোপনে– এই মনে!আরও কতখানি নিবিড় হতে পারে— রাত কুয়াশা অন্ধকারে ! আরও কতখানি যন্ত্রণা– নিয়ে ছিনিমিনি খেলা করা যায়— অনায়াসে ই !জোছনা হারা চাঁদ
একটা সময় ছিলো তোমার অপেক্ষায় থাকতাম! তোমার সাথে এক সেকেন্ড কথা বলার জন্য, তোমাকে এক পলক দেখার জন্য খুব পাগলামি করতাম! কখনও কখনও তো বায়নাও করতাম, তোমার লেখা কবিতা পড়ার,
নিজ বুদ্ধিতে বাসা বানাই আমরা বাবই পাখী ঝড় তুফানে ভয় পাইনা এই সাহস টুকু রাখি । স্বাধীন ভাবে চলি যে আমরা থাকিনা তো পরাধীন, কারো সাহায্য নেইনা কখনও চলি নিজ
আমডা বাড়িত হানি ওড়ছে বাইরে যাওন যায় না, সহাল- বিহাল সকিনার সাথে ঘাডে দেহা ওয় না। তাও আমডা সুহে আছি ঘরে আছে ধান-টান, সকিনা বা কেমন আছে ঝড়ের ভিতর তুহান-বান।
তুহিন কৃষি কাজ করে। নদীতে মাছ ধরে। ছাত্র হিসেবেও ভালো। তার বাড়ি রাজশাহীতে। ভারত সিমান্তের কাছাকাছি সে প্রায়ই যায়। তার জমি গুলো সিমান্ত ঘেষে। দেখতে সুদর্শন। নৌকা নিয়ে তুহিন যিরো