আমিই সেই অভিশপ্ত নারী… রাতের অন্ধকারে যার নিষিদ্ধ মোহে মোহিত হয়ে ছুটে আসে অসংখ্য ভ্রমর, ফুটন্ত ফুলের পাপড়িতে বসে প্রাণ ভরে গ্রহণ করে হৃদয়কাঁড়া সুবাস! আর দিনের আলোতে সেই ভ্রমরেরাই আরোও পড়ুন...
জীবন জুড়ে তীব্র দহন– তপ্ত শলাকা বিদীর্ণ করে মন! এ জীবনে যা কিছু আছে সঞ্চয় সবই যে তোমার ই দান, তুমুল স্রোতে ভাসায়েছি সম্পান! যা কিছু ভালো—যত আছে কালো— সকল
পুষ্পের কোমলতার মত, আকাশের প্রসন্নতায় বিস্তৃত, সহস্রের সাধনার ধন! সে হলো নারীর মন। নারীর অন্তরে আছে বিরাজমান বিশ্ব মানবের মায়ের সম্মান। হবে না তা কখনো চূর্ণ, আজীবন রবে তা পূর্ন।
জীবনে প্রথম যে দিন দেখেছিলাম তোমাকে সে দিনই তোকে ভালোবেসে ছিলাম। কিন্তু আজও তোকে মনের কথা টি বলতে পারি নি না বলা রয়ে গেলো মনের কথাগুলি। ভাবতাম কে শুনবে আমার
মাগো তুমি কোথায় আছো কোন অচিনপুরে! তোমার ছেলে কাঁদছে মা তোমায় মনে করে।। দূর অজানায় থাকো তুমি মনে কি পরে আমায়, চোখেরজল মানেনা বাধ মনে পড়লে তোমায়। পথ চলতে যদি
মানুষ তুমি ন্যায়ের প্রতীক মানুষ নামের কলঙ্ক নয় মানুষ তুমি মানুষের জন্য মানুষ হৃদয় করবে জয়। মানুষ রুপে জন্ম নিয়েও মানুষ হতে যদি না পারো মানুষ নামের ফানুস তুমি মানুষ
সবুজের মিতালী আমায় ডাকে আমি এসেছি দিই ধরা, নদীর বুকে সুখে জল খেলায় সুন্দরের নেই খড়া। শাপলা দোলে ওমাঝি পথ ভুলে এ দেশ আমার আপন, প্রকৃতি সাঁজিয়ে দিলরে ভূবন আমি