সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
হারাম হালাল না বুঝে জমিয়েছো টাকা পয়সা বাড়ী গাড়ি, সবই রেখে যেতে হবে সাড়ে তিন হাত অন্ধকার বাড়ী । দুনিয়ার মোহে হুশ নেই তোমার হুশ হবে কবে, কবরের কঠিন আযাবে আরোও পড়ুন...
সবুজ শ্যামল এই ধরাতে হতেম যদি পাখি, মুয়াজ্জিনের সুরে ধরায় করতাম ডাকাডাকি। পাখির মতো থাকতো যদি দু’ পাশে মোর ডানা, স্বাধীন মতো ঘুরতাম ধরায় করতো না কেউ মানা। উড়ে উড়ে
নারী যোদ্ধা মুক্তিকামী বাড়ি কুড়িগ্রামে, ডানপিটে খুব ছিলেন সেথায় তারামন বিবি নামে। মনে প্রাণে নিলো মেনে যুদ্ধে সেতো যাবে, চৌদ্দ বছর বয়সে সে দেশের কথা ভাবে। অস্ত্র ধরে যুদ্ধ করে
এই আকাশ এই বাতাস দেশের কথা বলে, সারি সারি নৌকাগুলো নদীর বুকে চলে। এই পাখির  কিচির মিচির করে তারা গান, মায়ের যেন ভালবাসা নাড়ির সাথে টান। মাঠে মাঠে ফসল ভরা
আমি কখনো এ্যামিবার জীবন চাইনি আমি ক্ষুদ্রতর কোনো অণুজীব হতে চাইনি আমি বরাবরই প্রকাণ্ড ও বড়সড় কিছু হতে চেয়েছি আমি মানুষের চাইতেও ঢের বেশি কিছু হতে চেয়েছি। শতবর্ষী সেই বটবৃক্ষের
রং বাহারী ঘুড়ি যখন আকাশ পানে উড়ে, নাটাই হতে ছাড়লে সুতো ছোটে বহুদূরে। বায়ুর সাথে সকল ঘুড়ির আছে ভালোবাসা, বায়ু ছাড়া হয় না পুরণ ঘুড়ি উড়ার
শীত এসেছে গ্রামগঞ্জে শীত সবুজ মাঠে শীত এসেছে দালানকোঠায় শীত পুকুর ঘাটে। শীত এসেছে নদ-নদীতে শীত সবার গায়ে, শীত এসেছে গাছের পাতায় শীত মাঝির নায়ে। শীত এসেছে হিমেল হাওয়ায় শীত
যুদ্ধের দামামা বাজছে, কত শত মরছে মানুষ! ট্যাঙ্ক কামানের গোলার আঘাতে ধ্বংস হচ্ছে বাড়ি ঘর। বাস্তুহারা হয়ে পড়ছে মানুষ। কত কত মানুষ আহত হচ্ছে। কত মানুষ বিকলাঙ্গ হয়ে পড়ছে চিরতরে।