সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৪ অপরাহ্ন
/ সাহিত্য
চাঁদের মতোন মুখটি তাহার নয়ন দুটি কালো, সোনা রঙের দেহ খানি দেখতে লাগে ভালো। রোহান সোনা মাঝে মধ্যে তাকায় মিষ্টি করে, করলে প্রসাব পায়খানা সে নড়াচড়া করে। ঘুমের মাঝে রোহান আরোও পড়ুন...
শীতে গাছি ছোটে দড়া, থলে, লাঠি দা হাতে, খেজুর গাছে ওঠে গাছি কাটে অঙ্গ   রস পেতে। গাঁয়ের ছোট ছেলে-মেয়ে  ধরছে গাছির পিছে, খেজুর তলের চুমুর খুঁটে  খাচ্ছে পাছায় মুছে। খেজুর
জগৎ জুড়ে আছে রে ভাই আজব এক গাড়ি। চালক ভবে তার চারজনাই যাত্রী এক তারি। আট চাকাতে ধীরে চলে কাঁধে নিয়ে ভার। তেল মবিল গ্যাস পেট্রোল ছাড়াই যাত্রী করে পার।
জীবন্ত বসন্তে ভরা যৌবন মেতেছে কুহু তানে দোলছে দক্ষিণা হাওয়া পেয়ে শাখা পুষ্প কাননে। তৃপ্ত জোয়ারে শিখা জ্বালিয়ে কি হবে? শহীদের আত্মা স্বর্গ বাসী হবে? এটা কেমন ধর্ম? জীবন্ত জীবের
এই যে আমার বাংলাদেশ সোনার বাংলাদেশ, শস্য শ্যামল ফসলে ভরা রূপের নেইকো শেষ। এই দেশেতে জন্মে মাগো ধন্য আমি ধন্য, লাখ শহীদ রক্ত দিলো এই দেশেরই জন্য। এই দেশেতে পদ্মা
বাগ-বাগানে ফুটে থাকে ফুলের কলি যতো, শিশু-কিশোর যুবক বৃদ্ধ সাঁজো ফুলের মতো। প্রকৃতিতে ফুলের সুবাস ছড়ায় যেমন নিততো, শিশু-কিশোর এই ধরাতে সবাই ফুলের বিততো। শোভা ছাড়া ফুলের স্বার্থ নেইতো জগৎ
শীত এসেছে বাংলা জুড়ে শহর থেকে গায়, চারদিকে পড়েছে ঢাকা হিমের কুয়াশায়। বইছে বাতাস খুব জোড়ে কাঁপছি তাই ধরধরে, উত্তর থেকে দক্ষিণে বইছে হাওয়া কনকনে। শীত আসে নিয়ে চিঁড়ে মুড়ি
স্বর্ণালী জ্যোৎস্নায় স্নিগ্ধ পবনে কামিনী পুষ্প সুগন্ধে শিক্ষাঙ্গন থেকে ভেসে আসে কান্নার চিৎকার;  সিঁড়ি থেকে বেয়ে আসে এক সাগর রক্তের বন্যা  ঘর থেকে ভেসে আসে লক্ষ- লক্ষ  তরুণীর আর্তনাদ! বেশ্যার