রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৬:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
চাটমোহর বাস স্ট্যান্ডে নাম-পরিচয়হীন মহিলার পরিবারের খোঁজ চলছে চাটমোহরে কবরস্থান কমিটির নাম ভাঙ্গিয়ে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ “সরকারি কোয়ার্টারে ডাকাতি” গুরুদাসপুুরে একাধিক ডাকাতির ঘটনায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলের গণমিছিল অনুষ্ঠিত হান্ডিয়ালে মাদকবিরোধী অভিযান: ১ কেজি গাঁজা ও ২০০ লিটার চোলাই মদ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার, আটক ১ নাগরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন মো. শওকত আলী ব্র্যাক ডেইরির উদ্যোগে “আদর্শ দুগ্ধ খামার ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণ” শীর্ষক এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ভাঙ্গুড়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকসেবী কে কারাদণ্ড
/ ফিচার
চলনবিলের আলো অফিস: পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদের মধ্যে একটি চাটমোহর শাহী মসজিদ। ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে মাসুম খাঁ কাবুলি নামে সম্রাট আকবরের একজন সেনাপতি এই মসজিদটি নির্মাণ আরোও পড়ুন...
শোকের মাস আগস্ট। গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞ চিত্তে স্মরণ করছি বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন জনগণ অন্তঃপ্রাণ। তিনি
 ১৯২০ সালের ১৭ মার্চের সোনালি সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের শেখ পরিবারের প্রাঙ্গণ আলোকিত ও মুখরিত হয়ে উঠেছিল একটি শিশুর জন্ম উপলক্ষে। জন্মলগ্নে মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন খুশিতে শিশুটিকে ‘খোকা’ বলে
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীঃ ১৯৭৪ সালের কথা, আমি তখন কলকাতায়। স্ত্রী অসুস্থ। তার চিকিৎসা হচ্ছে ভিকটোরিয়া মেমোরিয়ালের কাছে পিজি হাসপাতালে (এখন নাম পাল্টে গেছে)। আমার দিন কাটে কখনও আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসে
এক রক্তাক্ত কালীমাখা দিনের নাম হলো ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু তুমি ছেড়ে গেছো আমাদের থেকে বহুুদুরে হয়তো তোমার দেখা আমরা পাবোনা মনের গভীরে আজও রেখেছি জতন করে তোমারী নাম। কনোদিন
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগস্ট আমাদের শোকের মাস। বেদনার মাস। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ওই দিনে স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রী
মোঃ নাজমুল হুদা: ‘আগস্ট’কে আমরা শোকের মাস বলি। এ মাসেই আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। এ মাসে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবকেও হারিয়েছি। একই
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল স্কুলে পড়ার সময়েই। খুব সম্ভবত ১৯৫৭ সালে ঝিনাইদহে সাংগঠনিক সফরে গিয়েছিলেন। আমার বাবা ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা। তাই মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা ছিল আমাদের