রুহিয়া উপজেলার ১নং রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনিমহেষপুর/ঘনিবিষ্ণুপুর ওয়ার্ডে অবস্থিত জমিদারের মিল হতে জমিদারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। রাস্তাটি বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী জন সাধারণ পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। নির্বাচন আসে, নির্বাচন যায় প্রতিদন্দী প্রার্থীরা রাস্তাটি সংস্কার বা পাকা করণের ওয়াদা করলেও পরবর্তীতে নির্বাচিত হয়ে কেউ কথা রাখে না। এমনটি দাবী করলেন ওই রাস্তার পাশের এক দোকানদার বসিরুল ইসলাম। তিনি ওই এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাও বটে। এছাড়া ওই রাস্তা সংলগ্ন ৫৪ ফুলকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: রেজাউল করিম বলেন, এই রাস্তাটি বছরের অন্যান্য সময়ে কিছুটা চলাচলের উপযোগী থাকলেও বর্ষাকাল সহ বেশির ভাগ সময়ে রাস্তাটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এই রাস্তা দিয়ে ফুলকলি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা স্কুলে প্রতিনিয়ত যতায়াত করে। অনেক সময় কর্দমাক্ত রাস্তাটিতে পিছলে পড়ে শিশুরা আহত হয়ে কাতরাতে কাতরাতে স্কুলে প্রবেশ করে। ওই স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা আঞ্জু আক্তার, শবনব মুস্তারী আক্ষেপের স্বরে বলেন, স্কুলে যাতায়াতে আমাদের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সাংবাদিক দুলাল হকের বাড়ি ওই রাস্তার পাশে। তিনি বলেন, প্রতিদিন রাস্তাটি দিয়ে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, শিশু সহ বয়ঃবৃদ্ধ যাতায়াত করেন। অনেক সময় এই এলকার অসুস্থ রোগী দুরবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। আমি নিজেও রাস্তাটির ব্যপারে একাধিকবার সংবাদ পরিবেশন করেছি কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। ১নং রুহিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুল হক বাবু বলেন, ওই রাস্তাটি পাকা করণের কাগজপত্র কতৃপক্ষের নিকট পাঠালেও কোনো আইডি নম্বর পাওয়া যায় নি। ফলে রাস্তাটি সিসি বা হেরিং বোন বন্ড করার জন্য প্রকেল্পর প্রস্তাব জমা করা হয়েছে। সেটির কাগজপত্র হাতে পেলেই কাজটি সম্পন্ন করা হবে।