আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পদপ্রার্থী ইকবাল কবির রতনের পথ চারনায় মুখরিত ভাড়রা ইউনিয়ন। কিছু মানুষ কদাচিৎ ব্যতিক্রম, যাদের সাধ ও সাধ্যের অপূর্ব সংমিশ্রণে হাজারো অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটে। এমন মহান মানুষদের-ই মধ্যে যে নামটির সাথে জড়িয়ে আছে লক্ষ মানুষের বিশ্বাস, ভক্তি, ভালবাসা, দোয়া আর সমর্থন, তিনি হলেন টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ভাড়রা গ্রামের কৃতি সন্তান ইকবাল কবির রতন।
মোঃ ইকবাল কবির রতন বিভিন্ন সময়ে ছাত্র ও দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি নাগরপুর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস, সাবেক বিআরডিবি চেয়ারম্যান, নাগরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, নাগরপুর থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, থানা বিএনপির সাবেক সদস্য, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সাবেক সদস্য এবং জেলা কৃষক দল ও জাসাসের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।
ইকবাল কবির রতন বলেন, আগামী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ১নং ভাড়রা ইউনিয়নে জনগণের ভোগান্তি নিরসন, দাবি পূরণ এবং তাদের আস্থা ও ভালোবাসাকে মূল্যায়ন করে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছি।
মানুষের কল্যাণে অবিরাম কাজ করে রাজনৈতিক অঙ্গনে সুনাম অর্জন কারে ধর্মীয় এবং সামাজিক ক্ষেত্রে বিবিধ মহৎ কর্মের মাধ্যমে নশ্বর এই পৃথিবীতে নিজেকে অমর করে রাখার সেই অতিমানবীয় গল্পের নায়ক হিসেবে কাজ করতে চাই,আমি মিথ্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত থেকে ফিরে এসেছি জনগণের দোয়া আর ভালবাসায়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও টাংগাইল-৬ আসনে জাতীয় সাংসদ সদস্যর আস্থাভাজন, দলের উদীয়মান ও উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং তারেক জিয়ার লড়াকু সৈনিক, ভাড়রা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়েছেন এলাকা বাসির ভাগ্য পরিবর্তনে অঙ্গিকার নিয়ে।
তিনি বলেন, অসংখ্য শিক্ষিত বেকারদের কর্মসংস্থান করে দিয়ে সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি ও সামাজিক অর্থনৈতিক অবস্থার ভিত্তিকে মজবুত করণেও যুগান্তকারী ভূমিকা থাকবে।
এলাকায় প্রতিটি মানুষ এবং পরিবারের কাছে শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রতীক। শুধু তাই নয়, তিনি তাঁর এলাকার অসংখ্য নারীদেরকেও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়ে তাদেরকেও দক্ষ জনশক্তিতে রুপান্তর করে দেশের অর্থনৈকিত উন্নয়নে অবদান রাখতে বদ্ধপরিকর।
“আমি জনগণের ডাকে সাড়া দিয়ে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী নির্বাচনে আপনারা আমার পাশে থাকুন। আমি আপনাদের পাশে থেকে আজীবন সেবা করবো ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন, সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, মাদকমুক্ত ও মানবিক সমাজ গঠন এবং উন্নত সমাজ বিনির্মাণে তিনি অঙ্গীকারবদ্ধ। পাশাপাশি নারীদের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
“ইউনিয়নের যুব সমাজ ও নারী সমাজের জন্য নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরিতে সহায়তা, অধিকারবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বৈষম্যহীন সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা, বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে জনগণ আমার পাশে থাকলে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি আমার বিজয়ও সুনিশ্চিত হবে। আপনাদের দোয়া, সমর্থন, আস্থা ও ভালোবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চাই।