পাবনা জেলার অন্তর্ভুক্ত চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা কামরুজ্জামান নয়ন।
চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের সন্তান নয়ন ছাত্র বয়সে ছাত্রদলের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৪ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সরকারি তিতুমীর কলেজের আওয়তাধীন শহীদ আঁখি হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।
ছাত্র রাজনীতির সুবাদে কামরুজ্জামান নয়ন সরকারি তিতুমীর কলেজ ছাত্র কল্যাণ পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচিত হন। ছাত্রদলের একনিষ্ঠ নেতা হিসাবে দলের দুঃসময়ে বিএনপি চেয়ারপার্সনস্থ গুলশান কার্যালয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভ্যানগার্ড হিসাবে কাজ করেছেন। এ কাজে থাকা অবস্থায় দুইবার পুলিশের হাতে আটক হন তিনি। বেশ কয়েকমাস কারাভোগ করেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নিযুক্ত রয়েছেন। বিএনপি মনোনয়ন দিলে চাটমোহর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়তে চান তিনি।
এ বিষয়ে গুনাইগাছা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শাকিল আহমেদ মারুফ জানান, দলের দুঃসময়ে চাটমোহরে আন্দোলন সংগ্রামের তাগিদ দিতেন নয়ন ভাই। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে চাটমোহর এলাকায় কৌশলে বিএনপির রাজনীতি ধরে রেখেছিলেন। দুঃসময়ের নয়ন ভাইকে যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে হরিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সাধারন সম্পাদক মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক জানান, কামরুজ্জামান নয়ন অবহেলিত চাটমোহরবাসীর জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠবেন বলে বিশ্বাস করি৷ সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবার থেকে বেড়ে উঠা নয়ন উন্নত চাটমোহর গড়ার স্বপ্ন দেখেন। দলের সর্বোচ্চ দুঃসময়ে ম্যাডাম খালেদা জিয়ার ভ্যানগার্ড হিসাবে থাকার কারনে কারাবরন করেছেন তিনি। আমরা তার মূল্যায়ন চাই।
উল্লেখ্য, কামরুজ্জামান নয়ন ঢাকা-১৭ আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচন পরিচালনা উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন।