অভয়নগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে অভিনব কৌশলে চঞ্চল গংদের ঘাট দখলের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার মহাকাল গ্রামের মৃত নওফেল মীর এর পুত্র আজিজুর রহমান (৪৫) ১৮ অক্টোবর রবিবার সকাল ১১ টায় অভয়নগর রিপোর্টার্স ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করে বলেন, মীর ঘাটটি বিভিন্ন পণ্য সামগ্রী লোড আনলোডের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ঘাটের একটি অংশের মালিকানা আমার। ঘাটটির মালিকানা সম্পূর্ণভাবে কুক্ষিগত করার জন্য যশোর সদরের চাচড়া গ্রামের মৃত মোঃ শাহাজান আলী মীর এর পুত্র মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, অভয়নগর উপজেলার মহাকাল গ্রামের মুনসুর আলী মীরের পুত্র মনজুরুল ইসলাম চঞ্চল (৪২), দিয়াপাড়া গ্রামের মৃত সামাদ শেখের পুত্র আনিসুর রহমান (৩৮), ধোপাদি গ্রামের জাকির হোসেন দপ্তরী ৪৫ দিন পূর্বে যশোর খুলনা মহাসড়ক হতে রাজ টেক্সটাইল মিলের পাশ দিয়ে যে রাস্তাটি ভৈরব নদের দিকে গেছে সেই রাস্তাটিতে বাঁশের বেড়ার ব্যারিকেড দিয়ে ভ্যান, লোড আনলোডের ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেয়। এই ঘটনায় আমি এসিল্যান্ড বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করলে অভিযুক্তরা উল্লেখিত বাঁশের ব্যারিকেডটি সরিয়ে ফেলে। ইতিপূর্বে অভিযুক্তরা আমার নামে মিথ্যে অভিযোগ দিয়ে জেল খাটিয়েছে। তারই সূত্র ধরে থানার দালালদের সহায়তায় আমাকে পুলিশ দিয়ে হয়রানি করাচ্ছে। আমি বিভিন্ন স্থানে এ কারণে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমি বাড়িতে যেতে পারছি না, সুস্থভাবে জীবন যাপন করতে পারছি না। মীর ঘাটে আমার অংশ দখলে নেয়ার জন্য তারা নানা তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। চঞ্চল গং আমাকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে চলেছে।
এ বিষয়ে মনজুরুল ইসলাম চঞ্চলের মুঠোফোনে কল দিলে সাংবাদিকের পরিচয় পেয়ে তিনি অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে কথা বলান। উক্ত ব্যক্তির কাছে তাকে বারবার চাইলেও তিনি কথা বলেননি।
অভিযোগ সম্পর্কে মাসুম বিল্লাহ বলেন, আমার সাথে তার কোন দ্বন্দ্ব নেই, আজিজুরের সাথে তার চাচাতো ভাই চঞ্চলের দ্বন্দ্ব রয়েছে।