এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, পূর্বে এই ফার্মের আশপাশের জমিতে ফসলের তেমন কোনো ক্ষতি না হলেও, সম্প্রতি ফার্মটিতে নতুন একটি জৈব সার কারখানা চালুর পর থেকেই এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে।
ভুক্তভোগী কৃষক মোস্তাফিজুর, গুলজার, নাসিরুল, রুহুল আমিন ও হেলাল জানান, বর্জ্য পদার্থের প্রভাবে বর্তমানে তাদের প্রায় ৩ একর জমির করলা ক্ষেত নষ্ট হওয়ার পথে। তারা বলেন, এর আগে গত বছর বা তারও আগে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছিল, তবে সাময়িক ক্ষতিপূরণ দিয়ে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। এর একটি স্থায়ী ও কার্যকর প্রতিকার প্রয়োজন।
এ বিষয়ে প্যারাগন শালবাহান ফার্মের ব্যবস্থাপক আব্দুল আলিম বলেন, কৃষকদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে একজন কৃষি কর্মকর্তা ফসলের মাঠ পরিদর্শন করেছেন। তিনি পরিদর্শনের বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিলে সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি এই সমস্যা সমাধানে কোনো বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায় কি না, সেটিও তাদের বিবেচনায় রয়েছে।