রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :

অদৃশ্য ক্ষমতার দাপটে সরছে সলঙ্গার অগ্রণী ব্যাংক 

সলঙ্গা প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানাসদরে অবস্থিত “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখা স্থানান্তরের গুঞ্জনকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ী,গ্রাহক ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও হতাশা দেখা দিয়েছে।দীর্ঘদিন ধরে আফিয়া-জামান কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় পরিচালিত এই শাখাটি সুনামের সঙ্গে ব্যাংকিং সেবা দিয়ে আসলেও সম্প্রতি এটিকে বাজারের বাইরে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে।১০০ বছরের পরিকল্পনায় বিল্ডিংটি করা হলেও মাত্র ১৮ বছর অতিক্রম করছে।ভবণটি ঝুঁকিপূর্ণ বা খারাপ এ ধরনের একটি মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর গুজব ছড়িয়ে একটা স্বার্থান্বেষী মহল হীনস্বার্থ  চরিতার্থের পায়তারা করছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রাহকদের দাবী,সলঙ্গা বাজারের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় ব্যাংকটিতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে লেনদেন করা যায়।আশপাশে অসংখ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান,মার্কেট ও জনসমাগম থাকায় প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক গ্রাহক ব্যাংকটির সেবা গ্রহণ করেন।
অভিযোগ রয়েছে,একটি স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় অগ্রণী ব্যাংকের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজসে শাখাটি স্থানান্তরের পায়তারা চলছে।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন দপ্তরে লিখিত অভিযোগও দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।তাদের দাবী, গ্রাহকদের মতামত ও সরেজমিন তদন্তের বিষয়টি উপেক্ষা করা হচ্ছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ,ব্যাংকটির স্থানান্তরের পেছনে অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক সুলতান মাহমুদের অদৃশ্য ক্ষমতার দাপট কাজ করছে।ফলে সলঙ্গার ব্যবসায়ী সমাজের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে এবং লেনদেনেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গ্রাহক আব্দুস সালাম,কে.এম আমিনুল ইসলাম,মোজাম্মেল হক ও মনিরুজ্জামানসহ অনেকেই বলেন, “ব্যাংকটি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হলে আমাদের দৈনন্দিন লেনদেনে চরম ভোগান্তি তৈরি হবে।বাজারের কেন্দ্রস্থলে থাকায় বর্তমানে আমরা সহজে ও নিরাপদে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছি।”
এদিকে গ্রাহকদের সুবিধার কথা বিবেচনায় নিয়ে রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য ভিপি আয়নুল হক ব্যাংকটি বর্তমান স্থানে বহাল রাখার জন্য অগ্রণী ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করেছেন বলেও জানা গেছে।
এ বিষয়ে অগ্রণী ব্যাংকের সিরাজগঞ্জের এজিএম মাহবুব জানান, “ব্যাংক স্থানান্তরের বিষয়ে আমার জানা নেই।এটি হেড অফিসের বিষয়।”
অন্যদিকে,অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালক (ডিরেক্টর) সুলতান মাহমুদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ অবস্থায় সলঙ্গাবাসী দ্রুত সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে “অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি” ঘুড়কা শাখাটি পূর্বের স্থানে বহাল রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর