বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আটঘরিয়ায় ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় স্কুল মাদরাসা ও কারিগরি প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ চাটমোহর পৌরসভায় দুই ফার্মেসিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা সাতক্ষীরা তালতলায় কোহিনুর হত্যা ঘটনায় থানায় মামলা, কারখানার মালিক গ্রেপ্তার গোপালপুরে হলদে পাখি সম্প্রসারণে মতবিনিময় সভা গুরুদাসপুরে মানবতার সেবায় রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশন আটোয়ারীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সততা স্টোরের গুরুত্ব বিষয়ে শিক্ষার্থীদের নিয়ে উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির আলোচনা যানজটের কবলে আতাইকুলা, প্রতিদিন দুর্ভোগে হাজারো মানুষ- সমাধান কবে? দৌলতপুরে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৩ শতাধিক পরিবারের পাশে এবিজি ফাউন্ডেশন

চীনে ১০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বিয়ের রেকর্ড

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৫ মার্চ, ২০২৪, ৬:২৯ অপরাহ্ন

২০২৩ সালে চীনে সর্বোচ্চ সংখ্যক বিয়ে হয়েছে। দেশটিতে বছরজুড়ে ৭৬ লাখ ৮০ হাজার বিয়ে হয়েছে। বিগত ১০ বছরের কোনোটিতেই এক বছরে এত সংখ্যক বিয়ে হয়নি দেশটিতে।

এমনকি এর আগের বছর ২০২২ সালে চীনে যত বিয়ে হয়েছিল, শতকরা হিসেবে তার চেয়ে ১২ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি বিয়ে হয়েছে ২০২৩ সালে। রোববার চীনের সরকারি পরিসংখ্যান বিভাগ এক বিবৃতে নিশ্চিত করেছে এসব তথ্য।

প্রসঙ্গত, বিশ্বের একসময়ের সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীন গত বেশ কয়েক বছর ধরে উপর্যূপরি নিম্নজন্মহার সমস্যায় ভুগছে। এতে একদিকে যেমন বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, অন্যদিকে কমছে কর্মক্ষম লোকজনের সংখ্যা।

এই সংকটের জন্য অবশ্য ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির একটি পুরনো নীতি অনেকাংশে দায়ী। জনসংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে গত শতকের আশির দশকে বিতর্কিত ‘এক সন্তান নীতি’ গ্রহণ করেছিল চীনের সরকার। বছরের পর বছর ধরে এই নীতি জারি রাখায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সুফল পাওয়া গেলেও একটা সময়ে উৎপাদন ও কর্মক্ষেত্রে জনবল সংকট তীব্র হয়ে উঠতে থাকে। পরে ২০১৫ সালে বিতর্কিত সেই নীতি বাতিল করে বেইজিং।

কিন্তু তারপরও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বাড়ছিল না জন্মহার। এ পরিস্থিতিতে ২০২১ সালে তরুণ প্রজন্মকে বিয়ের প্রতি উৎসাহিত করে তুলতে প্রচার-প্রচারণা চালানো শুরু করে দেশটির সরকার, আর্থিক প্রণোদনাও ঘোষণা করে।

সরকারের প্রচার-প্রচারণা আর্থিক প্রণোদনার প্রভাবে ২০২২ সাল থেকে চীনে বিয়ের হার বাড়তে শুরু করে। ওই বছর দেশজুড়ে ৮ লাখ ৪৫ হাজার বিয়ে হয়েছিল।

পরিসংখ্যান দপ্তর বিবৃতি প্রকাশের পর চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং রোববার এক বার্তায় দেশের জনগণ, বিশেষ করে নবদম্পতিদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বর্তমান সরকার চীনের সমাজকে একটি শিশুবান্ধব সমাজে রূপান্তর করতে চায় এবং দেশের জন্মহার বাড়াতে শিশুর জন্ম, বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পিতামাতার অভিভাকত্ব প্রভৃতি খাতে প্রয়োজনীয় আর্থিক প্রণোদনা প্রদান ও সহযোগিতাপূর্ণ নীতি গ্রহণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর