রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
দলীয় প্রধানের প্রতি বিশেষ সম্মাননা: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মেয়ের বিয়ের দাওয়াত দিলেন ফতুল্লা বিএনপি সভাপতি টিটু জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে তুরস্ক যাচ্ছেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকৌশলী গোপালপুরে দুই মাথা, চার হাত ও চার পা বিশিষ্ট শিশুর জন্ম, উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ আটঘরিয়ায় জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুবকদের মাঝে ঋণের চেক বিতরণ  গোপালপুরের যমজ দুই ভাইয়ের এইচএসসিতে জিপিএ-৫ এইচএসসিতে গুরুদাসপুরে ৫টি প্রতিষ্ঠানের কেউই পাশ করেনি নওগাঁয় ২৪ কেজি গাঁজাসহ ৪ ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, চোরাই ভ্যানসহ বাবা-ছেলে আটক; উদ্ধার ৫১৭ মোবাইল নওগাঁয় সাংবাদিক বিশ্বজিৎ সরকার মনির পরলোকগমন, বিভিন্ন মহলের শোক

প্রচন্ড খরায় ঝরে পড়ছে আমের গুটি, চিলুর গুটি, ও কাঠালের গুটি, দিশেহারা চাষীরা

মোঃ মুন্না হুসাইন (ভ্রাম‍্যমান) প্রতিনিধিঃ
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ৪ মে, ২০২১, ৩:১০ অপরাহ্ন

প্রচন্ড খরা ও দির্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় অর্থকারী ফসল আমের গুটি ঝরে পরছে। অনেক স্থানে একই কারনে লিচু ও কাঁঠালের মুচিও ঝরে যাচ্ছে। এতে উপজেলার আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।

উপজেলার বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা যায়, এবার অধিকাংশ গাছে আম ও লিচুর পর্যাপ্ত মুকুল আসে এবং গাছে প্রচুর গুটি আটকাচ্ছে। এতে এ অঞ্চলের আম চাষী ও বাগান মালিকরা বাগানের পরিচর্যা করে যাচ্ছে। কিন্ত দীর্ঘ কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় গ্রীষ্মের খরতাপে আম ও লিচুর বোটা শুকিয়ে ঝরে পড়ছে। একই কারণে ঝরে পড়ছে কাঁঠালের মুচিও। ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছে এ অঞ্চরের বাগান মালিক ও ব্যাবসায়ীরা। এ ছাড়া বেশীরভাগ এলাকায় পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পর্যাপ্ত সেচ দিতে পারছেন না বাগানগুলোতে। ফলে বিপাকে পড়েছে চাষীরা।

উপজেলার মহেশরৌহালী গ্রামের আম চাষী সোরহাব প্ররামানিক জানান, দীর্ঘ কয়েক মাস বৃষ্টি না হওয়ায় আম ও লিচুর বোটা শুকিয়ে গুটি ঝরে পড়ছে। বাগানগুলোতে প্রচুর মুকুল এসেছিল এবং গুটিও ভালোই আটকাচ্ছিল কিন্তু খরার কারনে আম-লিচুর গুটি ঝরে যাচ্ছে। এতে ফলন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

খরায় আমের বোটা মুকিয়ে যাওয়ায় পুষ্টির অভাবে আম বড় হতে পারছেনা দামী দামী ওষুধ স্প্রে করেও তেমন ফল পাচ্ছি না।

তাড়াশ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর তাড়াশ উপজেলায় -৪হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে আমের গাছ ছিল। ওই পরিমাণ জমিতে ফলন্ত আমের গাছ ছিল ২ লাখ ২৫ হাজার ১৫০টি এবং অফলন্ত গাছ ছিল ৪০ হাজার ২০টি। তবে এবছর ফলন্ত গাছের সংখ্যা আরো বেড়েছে। ওই সব গাছ থেকে গত বছর আম উৎপাদন হয়ছেলি ৩ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এ বছর মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং ফলন্ত গাছেরে সংখ্যা বৃদ্ধি পওয়ায় আমের ফলন গতবারের চেয়ে দ্বিগুণ হবে বলে আশা করা হচ্ছিল।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসা মেজবুল বলেন, আম ও লিচুর ফলন ধরে রাখতে গাছের গোড়ায় রিঙ করে বেশি বেশি পানি দেয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে চাষিদের। এছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা ৩ গ্রাম বরিক এসিড মিশ্রণ করে স্প্রে করার পরামর্শ দেন তিনি।

 

 

#আপন_ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর