সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’ রাণীনগরে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়িয়ে প্রাণ গেল কিশোরের! আহত ৫ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত
/ সাহিত্য
আমার দেশের নাম বাংলাদেশ, যার প্রকৃতির নাইকো শেষ। সোনালি ফসল ফলে দেখ আমার বাংলাদেশে, কৃষক কন্যা নারিকেল তেল মাখে কাল কেশে। উঠান ভরা মুরগি কৃষকের গোলা ভরা ধান, পুকুর ভরা আরোও পড়ুন...
ভালবাসা এক স্বর্গীয় অনুভব যে করিতে জানে, ভালবাসার তরে হয়েছে শহীদান কতজন ধরাধামে। উম্মতেরে বাসিয়া ভালো কেঁদেছেন নুর নবী নবীর প্রেমে এখনো মুসলমান আঁকে ধ্যানের ছবি । সৃষ্টির জন্য শ্রষ্ঠার
আমায় একটা কষ্ট ঘুড়ি দিবে, কষ্টে কষ্টে খেলবো কাটাকাটি। কষ্ট গুলো টুকরো টুকরো হয়ে বিলীন হবে আকাশের ওই বিশালতায়। আমায় একটা আশ্চর্য প্রদীপ দিবে, এক ঘসায় আনবো দৈত্য বলবো তারে,যতো
আমি সূর্য ওঠা ভোর, আমি নিস্তব্ধ প্রান্তর। আমি শিশুর মুখের হাসি, আমি কবিতা ভালোবাসি। আমি জানালা খোলা বাতাস, আমি রাতের দীর্ঘশ্বাস। আমি স্বপ্ন ভরা চোখ, আমি চাহনী অপলক। আমি মঙ্গল,
নিভবে যখন হৃদয় প্রদীপ আসবে আঁধার ঘিরে, বুঝবে তুমি নেই দেহে আর গেছো বাঁধন ছিড়ে। আত্মা তোমার ঘুরতে থাকবে বাড়ির চারপাশ দিয়ে, কাঁদবে অনেক আপন জনে অন্যেরা দেখবে চেয়ে ।
বিষটাকার তেলে হয়ে যায় পার কয়েক রাতি, আমার ঘরে আলো দেয় হারিকেন অথবা বাতি। হারিকেনের কাচ মুছে-ঘরে জ্বেলে দিতেন মা, আমি লুকিয়ে চিঠি লিখছি খুশি হয় প্রিয়তমা। হারিকেনের আলোয় আমার
ও বন্ধু তুমি এতটাই নিষ্ঠুর যা কখনও হয় না তুলনা, দু:খ ভারাক্রান্ত এ জীবনে তোমায় আমি কখনও ভুলবনা। অফিসের গেটে থেকেছি কত ভালবাসার ফুল নিয়ে দাড়িয়ে, মন থেকে না হলেও
সোডিয়াম লাইটের ঝলমলে উপস্থিতির কাছে হার মেনেছে জোতস্নার আলো সেই কবেই। চার দেয়ালের কাব্য বন্দী হয়েছে বদ্ধ ঘরে। জোতস্নারা তাই উঁকি দিতে দিতে ক্লান্ত খুব। আমি যে ফিরেও চাইনি, এখন