বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সলঙ্গা থানা মহিলা দলের কমিটি গঠন নিয়ে সমালোচনার ঝড় পাবনার নবাগত জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম চাটমোহরে সর্বস্তরের জনগণের সাথে মতবিনিময় করলেন বাসাইলে সোনালী ব্যাংকের বিদায়ী ব্যবস্থাপকের বিদায় ও নবাগতের বরণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ঘুষ দুর্নীতি দূরে থেকে সাধারণ মানুষের সেবা করার আহ্বান- আটঘরিয়ায় নবাগত জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোপালপুরের বেলুয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে খু*নে*র অভিযোগ সাঁথিয়ায় মাদক সেবনের অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ১ বছরের কারাদণ্ড রুহিয়ায় কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ: রাতের আঁধারে উপড়ে ফেলা হলো মিষ্টি কুমড়া খেত রাণীনগরে সড়কের পাশে মুরগির বর্জ্যের ভাগাড়: স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ

মাদক খাইয়ে আমাকে বিছানায় নেয় ; অভিনেতা কঙ্গনা

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০, ৩:০৫ অপরাহ্ন

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনায় উঠে এসেছে মাদক চক্রের যোগ থাকার সম্ভবনা। ধারণা করা হচ্ছে; মাদক চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে মূল অভিযুক্ত রিয়া চক্রবর্তীর। এদিকে বি-টাউনে মাদকচক্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন কঙ্গনা রানাওয়াত। শেয়ার করেছেন তার জীবনের ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে কঙ্গনা জানান, মানালি ছাড়ার সময় আমার ১৬ বছর বয়স। চন্ডীগড়ে একটি প্রতিযোগিতায় জিতে এক সংস্থার মাধ্যমে মুম্বাই এসেছিলাম। কেরিয়ারের শুরুর দিকে হস্টেলে থাকতাম, তারপর এক আন্টির সঙ্গে থাকা শুরু করি। সেসময় এক চরিত্র অভিনেতা আমার সঙ্গে বন্ধুত্ব করে এবং বলিউডে কাজ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। আমি যে নারীর সঙ্গে থাকতাম, তার প্রতিও মুগ্ধ ছিলেন ওই অভিনেতা। তারপর আমরা তিনজনে একসঙ্গেই থাকা শুরু করি। ধীরে ধীরে তিনি নিজেই স্বনিযুক্ত পরামর্শদাতা হয়ে উঠলেন। পরে ওই চরিত্র অভিনেতা আন্টির সঙ্গে ঝগড়া করে তাকে বের করে দেন। আমার জিনিসপত্রসহ একটা ঘরে রেখে তালাবন্ধ করে রাখেন। আমি যাই করতাম, ওনাকে বলে করতে হতো, আমি একপ্রকার গৃহবন্দী হয়ে গিয়েছিলাম।

এখানেই শেষ নয়, নিজের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানিয়ে কঙ্গনা বলেন, ওই ব্যক্তি আমায় বিভিন্ন পার্টিতে নিয়ে যেতেন। একদিন আমি নেশাগ্রস্ত বোধ করলাম, ওনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়েছিলাম। মাদক খাইয়ে আমাকে বিছানায় নেয়। পরে বুঝলাম, এটা স্বেচ্ছায় হয়নি, আমার পানীয়র মধ্যে কিছু মেশানো হয়েছিল। এরপর থেকে ওই অভিনেতা নিজেকে আমার স্বামীর মতো আচরণ করা শুরু করলেন। কিছু বললেই মারধর করতেন। প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছিলাম, আপনি আমার বয়ফ্রেন্ড নন, বলতেই আমায় চটি দিয়ে মারলেন।

কঙ্গনার কথায়, ওই ব্যক্তি আমাকে দুবাইয়ের বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে আলাপ করালেন। আমাকে বললেন প্রবীণদের মাঝে যেন বসি, আর তিনি তখন ওই জায়গাটি ছেড়ে চলে যাবেন। আমাকে তাদের নম্বর নিতেও বলেছিলেন। আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলাম এটা ভেবে যে, আমায় দুবাইতে পাচার করে দেওয়া হবে না তো?

কঙ্গনা জানান, আমি যখন সিনেমায় সুযোগ পাই ওই ব্যক্তি রেগে গিয়েছিলেন। উনি মত্ত অবস্থায় আমায় বললেন, তিনি ভাবেননি আমি সিনেমায় সুযোগ পাব। তারপর আমাকে ইনজেকশন দিয়ে বিদ্রুপ করে বললেন আমি আর শ্যুটিংয়ে যেতে পারবো না। আমি পুরো বিষয়টা অনুরাগ বসুকে জানিয়েছিলাম (কঙ্গনার প্রথম ছবি গ্যাংস্টারের পরিচালক) তিনিই আমায় আশ্রয় দিয়েছিলেন। অনুরাগ বসু আমায় রাতে তার অফিসে থাকার ব্যবস্থা করে দেন। অবশ্য পরে এই অভিনেতার নাম প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর