সাড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর রুকুন মোঃ ইলিয়াস খাঁন উক্ত ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা সরাসরি স্বীকার করেছেন। তবে তিনি দাবি করেন, নিজে সরাসরি তা পরিচালনা করেন না। রাতের বেলা অবৈধ বালু তোলার বিষয়টি জানতে চাইলে, তাঁর কাছ থেকে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। পাশের বাঘা উপজেলার বৈধ বালু মহালের ইজারাদার মোঃ আরফান মিয়া রাতের বেলা বালু তোলার অভিযোগ কঠোরভাবে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন: “আমরা সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে লক্ষীনগর মৌজা থেকে শুধুমাত্র দিনের বেলাতেই বালু উত্তোলন করি। রাতে আমরা কোনো বালু তুলি না। তবে শুনেছি লালপুর ও ঈশ্বরদীতে জলদস্যুরা রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু তুলছে।” স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে রাতের বেলা পদ্মার তলদেশ ক্ষতবিক্ষত করে ড্রেজার দিয়ে বালু কাটা হচ্ছে। এর ফলে পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালনশাহ সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র, সাড়া নদী রক্ষা বাঁধসহ, সাড়া ইউনিয়নে ভয়াবহ নদীভাঙনের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আঙুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে এই অবৈধ বালু সিন্ডিকেট সদস্যরা। ঈশ্বরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব বলেন, রাতের আঁধারে বালু তুলছে এই তথ্য আমাদের কাছে ছিলো না। আপনাদের মাধ্যমে জানলাম। সত্য হলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো এবং অপরাধী যেই হোক না কেন তাঁকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।