পায়রা নদীর ভাঙ্গনে জমি ও বসতভিটা হারিয়েও টিকে আছে মির্জাগঞ্জ উপজেলার কাকড়া বুনিয়া আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিদ্যালয়ের জমিদাতা ও প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সন্তান মোঃ আমিনুল ইসলাম, সভাপতি মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব ও পক্ষপাতের অভিযোগ করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নদী ভাঙ্গনে বিদ্যালয় সহ জমি-জমার পরিমান ৪৬ একর, যা পায়রা নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানটি কয়েক দফা স্থানান্তর করা হয়। সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠাতা পরিবার নিজেদের বসতভিটা ছেড়ে নতুন জমি দিয়ে স্কুল পুনঃস্থাপন করেন।
বর্তমানে এডহক কমিটি গঠন চলছে। জমিদাতা ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে মোঃ আমিনুল ইসলাম সভাপতি পদে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তার অভিযোগ, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান, ইনডেক্স নং ২৯৩২০২, জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো তালিকায় সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে কোনো আলোচনা ছাড়াই ১নং ক্রমিকে অন্য প্রার্থীকে রাখেন। অথচ মাধ্যমিক বিদ্যালয় এডহক কমিটি গঠন নীতিমালা ২০১৩ অনুযায়ী জমিদাতা/প্রতিষ্ঠাতা পরিবার অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত করে নীতিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।