আজ শনিবার বিকেলে আর্মি স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পুরো ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করেন এবং খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে ট্রফি ও মেডেল তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে টান টান উত্তেজনায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যায়। তবে মাঠের কৌশলে কিছুটা এগিয়ে ছিল রাজশাহী বিভাগের জোড়গাছা ইউনাইটেড। চমৎকার পাসিং ও গতিশীল ফুটবলের পসরা সাজিয়ে প্রথমার্ধেই তারা ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের করে নেয়। বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ডিফেন্সকে ব্যস্ত রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায় সাঁথিয়ার খুদে ফুটবলাররা।
খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ময়মনসিংহ বিভাগ গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা চালায়। তবে জোড়গাছা ইউনাইটেডের শক্তিশালী রক্ষণভাগ এবং নিখুঁত ফরোয়ার্ড লাইনের সামনে শেষ পর্যন্ত তারা টিকতে পারেনি। দুই দলের গোলবন্যার এই রোমাঞ্চকর ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ৪-২ ব্যবধানে জিতে শিরোপা নিশ্চিত করে সাঁথিয়ার বালিকারা।
খেলা শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ী জোড়গাছা ইউনাইটেড এবং রানার্স-আপ বাঞ্ছারামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়—উভয় দলের খেলোয়াড়দের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। খুদে ফুটবলারদের এমন দৃষ্টিনন্দন পারফরম্যান্সে মুগ্ধতা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন:, তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এই খুদে ফুটবলাররাই আগামী দিনে বাংলাদেশের ফুটবলকে বিশ্বমঞ্চে নেতৃত্ব দেবে। আজকের এই চমৎকার ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ প্রমাণ করে যে আমাদের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও অসাধারণ প্রতিভা লুকিয়ে আছে। প্রাথমিক পর্যায় থেকেই খেলাধুলার মান উন্নয়ন ও নতুন প্রতিভা অন্বেষণে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।”
বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী দুই দলের খেলোয়াড় ও অফিশিয়ালদের মাঝে মেডেল এবং জমকালো চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন। এ সময় টুর্নামেন্ট কমিটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
১২০ নং জোড়গাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই ঐতিহাসিক জয়ে সাঁথিয়াসহ পুরো পাবনা জেলায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। স্থানীয় ক্রীড়ামোদী ও সাধারণ মানুষ মিষ্টি বিতরণ করে এই গৌরবময় জয় উদ্যাপন করছেন।